প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যাত্রা শুরু করল ফরিদপুর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল
ফরিদপুর প্রতিনিধি ||
দক্ষ ও একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম দেশপ্রেমিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে যাত্রা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ফরিদপুর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল (ইংরেজি ভার্সন)’। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি ফরিদপুরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং স্থানীয় আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় অবস্থিত স্কুল মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক লক্ষ্য ও সুবিধা তুলে ধরেন অধ্যক্ষ লেফট্যানেন্ট কর্নেল আখতার উস সামাদ রাফি।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব প্রায় ১৮ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠানটির আধুনিক ও সুবিশাল অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ মে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই বিদ্যাপীঠের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। দ্রুগতি ও মান নিশ্চিত করে নির্মাণকাজ শেষে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এর শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ জানান, প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতার আগেই গত ২৪ এপ্রিল থেকে শিক্ষার্থীদের অনলাইন পাঠদান শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে ১২ ও ১৪ আগস্ট থেকে প্রথমবারের মতো সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।বিখ্যাত মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল খুলনা (এমসিএসকে) এবং দেশের অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী ক্যাডেট কলেজের শিক্ষানীতির আদলেই এর অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কাঠামো পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সুবিধার্থে ক্যাম্পাসে গড়ে তোলা হয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও আধুনিক মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ, অত্যাধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ পাঠাগার, মাল্টিপারপাস হল, সুপরিসর ডাইনিং হল এবং নিরাপদ আবাসিক হাউস।লেফট্যানেন্ট কর্নেল আখতার উস সামাদ রাফি বলেন, কেবল গতানুগতিক শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অলিম্পিয়াড ও মেধা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তোলাই তাঁদের মূল অগ্রাধিকার। এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে ক্যাডেটেরা ভবিষ্যতে সামরিক বাহিনীতে যোগদানের জন্য আইএসএসবি (ISSB) পরীক্ষায় সরাসরি অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সিভিল প্রশাসন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল, আইন, আইসিটি, আধুনিক ব্যবসা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় শীর্ষ স্থান অর্জনে সক্ষম হবে।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো