প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মুকসুদপুরে যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিমের
মোঃ ছিরু মিয়া , নির্বাহী সম্পাদক ||
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌর এলাকার দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাইপাস সড়ক নির্মাণের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম। প্রস্তাবিত এই বাইপাস নির্মিত হলে শহরের ভেতর দিয়ে ভারী ও দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে মুকসুদপুর পৌর শহরের প্রধান সড়কসংলগ্ন বাইপাস সড়ক নির্মাণের কয়েকটি সম্ভাব্য স্থান ও রুট সরজমিনে পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন সংসদ সদস্য।পরিদর্শন শেষে এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, মুকসুদপুর পৌর শহরের প্রধান সড়কে প্রতিদিন যানবাহন ও পথচারীদের চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ফলে স্থানীয় সাধারণ বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং দূরপাল্লার যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। শহরকে যানজটমুক্ত করতে একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাইপাস সড়ক চালু হলে ভারী যানবাহনগুলো শহরের বাইরে দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে, যা শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধেও বড় ভূমিকা রাখবে। এ সময় তিনি দ্রুত কারিগরি সমীক্ষা পরিচালনা ও আনুষ্ঠানিক প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবর্গ।পরিদর্শনকালে উপস্থিত কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়কের সম্ভাব্য পথ, জমির প্রাপ্যতা, যানবাহনের ধারণক্ষমতা, সংযোগ সড়কের সুযোগ এবং সার্বিক নির্মাণের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক পরিদর্শনের পর খুব শীঘ্রই সম্ভাব্য রুট নির্ধারণ, ভূমি জরিপ, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন এবং প্রাথমিক নির্মাণব্যয় প্রাক্কলনের কাজ শুরু হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও প্রশাসনিক অনুমোদন সাপেক্ষে জমি অধিগ্রহণ ও মূল নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানা গেছে।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো