প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ভাঙ্গায় ঈদের নামাজ শেষে রণক্ষেত্র: সংঘর্ষে আহত ২৫, ৩০ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও গবাদিপশুসহ মালামাল লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাতে হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্রামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের চা খাওয়ার সময় তর্কের সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার জের ধরে গত দুই দিন ধরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র সংগ্রহ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে।আজ শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই সকাল ১০টার দিকে দুই গ্রামের বাসিন্দারা ঢাল, সড়কি ও রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বেলা ১২টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এসময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সুযোগসন্ধানীরা ১০-১২টি গবাদিপশু, নগদ অর্থ ও দামি মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্রামের মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।সংঘর্ষে গুরুতর আহত ২৫ জনকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো