প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
কোটচাঁদপুরে মিলছে জ্বালানি তেল: পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল আরোহীদের দীর্ঘ লাইন
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
ঈদের ছুটির পর ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে সোমবার বিকেল থেকে পেট্রল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়েছে। জ্বালানি পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যেই পাম্পগুলোতে ভিড় জমান শত শত মোটরসাইকেল আরোহী। দীর্ঘ লাইনের পাশাপাশি অনেককে বোতল ও কনটেইনার হাতে জ্বালানি নিতে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুর উপজেলায় তিনটি প্রধান জ্বালানি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে—দুধসরা সড়কের টোটন ফিলিং স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড এলাকার বেলী ফিলিং স্টেশন এবং কলেজ বাসস্ট্যান্ডের কোটচাঁদপুর ফিলিং স্টেশন। ঈদের আগের দিন (শুক্রবার রাত) পর্যন্ত তেল দেওয়ার পর মজুত শেষ হওয়ায় পাম্পগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি ট্রাক দিয়ে পাম্পগুলো ঘিরে রাখতেও দেখা গিয়েছিল।সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টোটন ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি শুরু হলেও বেলী ফিলিং স্টেশনে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় থাকা সত্ত্বেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তেল দেওয়া বন্ধ ছিল। অন্যদিকে, ডিপো থেকে তেল না আসায় কোটচাঁদপুর ফিলিং স্টেশনে মানুষের সমাগম তুলনামূলক কম ছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।কোটচাঁদপুর ফিলিং স্টেশনের মালিক খন্দকার মোজাম্মেল হক দবি জানান, আগে গ্রামের ছোট দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল পাওয়া যেত, যা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সব মানুষ এখন ফিলিং স্টেশনমুখী হওয়ায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে গত বছরের মার্চ মাসের বিক্রির অনুপাত অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে। গত বছর দেড় লাখ লিটার কিনলে সেই হিসেবেই বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা বর্তমান চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে তেলের বড় ধরণের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে পুলিশ কাজ করছে। কোটচাঁদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) খন্দকার এনায়েত আলী জানান, এর আগে তেল নিতে গিয়ে ছোটখাটো বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছিল। জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবার আগেভাগেই পুলিশের টহল ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো