প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
নোয়াখালীতে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: রেললাইনে গাছ উপড়ে ২ ঘণ্টা পর ছাড়ল উপকূল এক্সপ্রেস
নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী ||
নোয়াখালীতে কালবৈশাখী ঝড়ে রেললাইনের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচিতে বিপর্যয় ঘটেছে। নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পর ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শত শত ট্রেনযাত্রী।সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ প্রবল বজ্রবৃষ্টি হয়। এ সময় প্রচণ্ড বাতাসে রেললাইনের ওপর বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে। বিশেষ করে হরিনারায়ণপুর স্টেশন এলাকায় চারটি গাছ ভেঙে পড়ায় ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি সোনাপুর স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লাইনে গাছ পড়ে থাকায় ট্রেনটি আটকা পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ অপসারণ শুরু করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর ট্রেনটি মাইজদী কোর্ট স্টেশনের দিকে যাত্রা শুরু করলেও পথে আবারও বাধার সম্মুখীন হয়। মাইজদী বসিরার দোকান ও ইমাম বাজার সংলগ্ন রেললাইনের ওপর থেকে গাছ সরানোর পর সকাল ৮টার দিকে ট্রেনটি পুনরায় যাত্রা শুরু করে।মাইজদী কোর্ট স্টেশনের স্টেশনমাস্টার কামরুজ্জামান বলেন, হরিনারায়ণপুর স্টেশনের কাছে লাইনের ওপর চারটি গাছ ভেঙে পড়েছিল। ভোর থেকেই রেলওয়ে ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাইন সচল করার কাজ শুরু করেন। গাছ অপসারণের পর ৭টা ৫২ মিনিটে ট্রেনটি চৌমুহনীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়। চৌমুহনী স্টেশনের স্টেশন অফিসার ফখরুল ইসলাম নোমান জানান, মাইজদী থেকে ৮টা ৪২ মিনিটে ট্রেনটি চৌমুহনী স্টেশনে আসে এবং ৫ মিনিটের মধ্যেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, লাইনে আর কোনো বাধা নেই।নির্ধারিত সময়ে ঢাকা পৌঁছাতে না পেরে কিছু যাত্রী বিকল্প হিসেবে বাসে রওনা দিলেও অধিকাংশ যাত্রী ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করেন। দীর্ঘ বিলম্বের পর ট্রেনটি পুনরায় চালু হওয়ায় যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো