প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
যে কারনে ক্যারিয়ারের ইতি টানতে হয়েছিলো: জানালেন কেভিন পিটারসন
খেলা ডেস্ক ||
২০১৪ সালে মাত্র ৩৩ বছর বয়সে হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেভিন পিটারসন। সে সময় সতীর্থদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি এবং বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্ব—সব মিলিয়ে তাঁর বিদায় ছিল বেশ আলোচিত। সম্প্রতি নিজের ক্যারিয়ারের সেই অধ্যায় নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছেন তিনি।এক আলাপচারিতায় পিটারসেন দাবি করেন, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ এ খেলার আগ্রহের কারণেই তিনি ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড এর বিরাগভাজন হয়ে ওঠেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় বোর্ড কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়দের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দিতে অনাগ্রহী ছিল। কিন্তু তিনি নিজের অবস্থানে অনড় থাকায় শুরু হয় দীর্ঘ দ্বন্দ্ব, যার প্রভাব পড়ে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে।পিটারসেন মনে করেন, এই বিরোধের ফলেই তাঁকে অকালেই দল থেকে ছিটকে পড়তে হয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ১০৪টি টেস্ট খেলে থেমে যাওয়ার কথা ছিল না তাঁর। সুযোগ পেলে ১৫০ থেকে ১৬০টি টেস্ট খেলে ১২ থেকে ১৩ হাজার রান করা সম্ভব ছিল বলেও বিশ্বাস করেন তিনি।২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করা পিটারসেন ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্টে ৮ হাজারের বেশি রান করেছেন, রয়েছে ২৩টি শতক। একদিনের ম্যাচ ও স্বল্প দৈর্ঘ্যের ম্যাচেও ছিলেন দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান।বর্তমানে ইংল্যান্ডের অনেক ক্রিকেটার বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। পিটারসেন মনে করেন, তাঁর সেই সময়ের অবস্থানই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পথ সহজ করেছে। তিনি জানান,জস বাটলার সহ অনেক বর্তমান ক্রিকেটার এজন্য তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।আইপিএলেও তাঁর ছিল সফল উপস্থিতি। ২০০৯ সালে রয়েল চ্যালেন্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে যাত্রা শুরু করে মোট পাঁচটি দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। ৩৬টি ইনিংসে করেছেন ১০০১ রান, যার মধ্যে রয়েছে একটি শতক ও চারটি অর্ধশতক।সব মিলিয়ে, পিটারসেনের মতে, নিজের ক্যারিয়ারে ক্ষতি হলেও তাঁর নেওয়া সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য নতুন সুযোগের দুয়ার খুলে দিয়েছে।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো