প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, চন্দ্রায় ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
নাহিদ হোসেন , বিশেষ প্রতিনিধি ||
নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের লাখো শ্রমিক। গত সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিক ঈদযাত্রা শুরু হলেও আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কগুলোতে ঘরমুখী মানুষের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ও এর আশপাশের এলাকায় যানবাহনের ব্যাপক চাপ ও থেমে থেমে যানজট দেখা দিয়েছে।শিল্প পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, যানজট ও ভোগান্তি এড়াতে এবার ধাপে ধাপে কারখানা ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গাজীপুরের ২ হাজার ৮৩৪টি কারখানার মধ্যে আজ বুধবার সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজার ৪১৪টি কারখানায় ছুটি হচ্ছে। এর আগে সোমবার ১০ শতাংশ এবং মঙ্গলবার ২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮৩৩টি কারখানা আগামীকাল বৃহস্পতিবার ছুটি হবে। আজ দুপুরের পর বড় একটি অংশ ছুটি হওয়ায় বিকেলের দিকে মহাসড়কে জনস্রোত আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর থেকে চন্দ্রা এবং নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত এলাকায় যানবাহনের ব্যাপক চাপ রয়েছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে উত্তরবঙ্গগামী বাসগুলো কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাতায়াত করছে। মহাসড়কের পাশে শ্রমিকদের আগে থেকে রিজার্ভ করা শত শত বাস দাঁড়িয়ে থাকায় এবং ঘরমুখী মানুষ বাসের অপেক্ষায় জড়ো হওয়ায় জটলা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে মহাসড়কঘেঁষা কারখানাগুলোর সামনে বাস থামিয়ে যাত্রী তোলায় সাধারণ যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, গতকাল মঙ্গলবার থেকেই যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। আজ দুপুরের পর তা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। মহাসড়কের পাশে শ্রমিকদের ভাড়া করা অসংখ্য বাস দাঁড়িয়ে থাকায় কিছুটা জটলা তৈরি হয়েছে। আমরা মহাসড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যানজট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ায় গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শৃঙ্খলা কিছুটা বেশি থাকলেও বিকেলের জনস্রোত সামাল দেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো