আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর রাজশাহী নগরের ঝাউতলা এলাকার মিঠুর মোড়ে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে নগরের হেতেম খাঁ গোরস্তানে দাফন করা হবে তাঁকে। ইতোমধ্যে ঢাকায় থেকে তাঁর মরদেহ রাজশাহীর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালেই মরদেহ সিরাজগঞ্জে পৌঁছেছে। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যরাও দেশে ফিরে রাজশাহীর পথে রয়েছেন। শামস সুমনের ভাই ও সাংবাদিক রাশেদ রিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। বুধবার সকালে রাজধানীর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সহকর্মী, শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত থেকে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। শামস সুমনের সাংস্কৃতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল রাজশাহী থেকেই। স্কুলজীবনে রাজশাহী বেতারে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অভিনয়জগতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বনন-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাঁর শিল্পচর্চা আরও বিস্তৃত হয়। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। নাটক ও চলচ্চিত্র—দুই মাধ্যমেই তিনি রেখে গেছেন উল্লেখযোগ্য অবদান। তাঁর অভিনীত জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে অহংকার, অনুরাগ, যদি ভালোবাসো,এই তো আমাদের বাড়ি, রাতের অতিথি, অতন্দ্র প্রহর ও খোঁজ। এছাড়া জয়যাত্রা, বিদ্রোহী পদ্মা, আয়না কাহিনি, প্রিয়া তুমি সুখী হও, চোখের দেখা ও মন জানে না মনের ঠিকানা সহ একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্র নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনের স্বপ্নপূরণ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। প্রিয় শহর রাজশাহীতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হচ্ছেন এই গুণী অভিনেতা—যেখানে শুরু হয়েছিল তাঁর শিল্পীজীবনের পথচলা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর রাজশাহী নগরের ঝাউতলা এলাকার মিঠুর মোড়ে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে নগরের হেতেম খাঁ গোরস্তানে দাফন করা হবে তাঁকে। ইতোমধ্যে ঢাকায় থেকে তাঁর মরদেহ রাজশাহীর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালেই মরদেহ সিরাজগঞ্জে পৌঁছেছে। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যরাও দেশে ফিরে রাজশাহীর পথে রয়েছেন। শামস সুমনের ভাই ও সাংবাদিক রাশেদ রিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। বুধবার সকালে রাজধানীর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সহকর্মী, শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত থেকে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। শামস সুমনের সাংস্কৃতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল রাজশাহী থেকেই। স্কুলজীবনে রাজশাহী বেতারে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অভিনয়জগতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বনন-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাঁর শিল্পচর্চা আরও বিস্তৃত হয়। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। নাটক ও চলচ্চিত্র—দুই মাধ্যমেই তিনি রেখে গেছেন উল্লেখযোগ্য অবদান। তাঁর অভিনীত জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে অহংকার, অনুরাগ, যদি ভালোবাসো,এই তো আমাদের বাড়ি, রাতের অতিথি, অতন্দ্র প্রহর ও খোঁজ। এছাড়া জয়যাত্রা, বিদ্রোহী পদ্মা, আয়না কাহিনি, প্রিয়া তুমি সুখী হও, চোখের দেখা ও মন জানে না মনের ঠিকানা সহ একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্র নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনের স্বপ্নপূরণ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। প্রিয় শহর রাজশাহীতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হচ্ছেন এই গুণী অভিনেতা—যেখানে শুরু হয়েছিল তাঁর শিল্পীজীবনের পথচলা।

আপনার মতামত লিখুন