সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান অসহায়ত্বের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অভিনেতা। যৌবনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে কিছু সঞ্চয় না করাটাই এখন তার জীবনের বড় আক্ষেপ। শামীম বলেন, সঞ্চয় করি নাই। ভাবতাম আজ কামাই করছি, কালকেও তো করমুই। এই করতে গিয়েই কোনো পয়সা জমাতে পারি নাই।
শামীম হোসেনের তিন ছেলে এবং স্ত্রীসহ পাঁচজনের সংসার। গত দুই মাস ধরে ইউটিউবের সামান্য কাজটুকুও পাচ্ছেন না তিনি। আসন্ন ঈদ নিয়ে সন্তানদের কোনো পরিকল্পনা তো দূরে থাক, নূন্যতম আবদার করার সাহসও নেই তাদের। শামীম জানান, তার মাসুম বাচ্চারা পরিস্থিতি বুঝে কোনো কিছুই এখন আর চায় না।
এতটা অভাবের মাঝেও কারো কাছে হাত পাততে নারাজ এই শিল্পী। তার একমাত্র আকুতি, তাকে যেন আবারও অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি বলেন:
আমি কারো কাছে আর্থিক সাপোর্ট চাইবো না। আমি যদি হাত পাতি তাহলে আমার রবের কাছে চাইবো। আমি শুধু একটা জিনিসই চাইবো—আমাকে ঈদের পর থেকে কাজে ডাকেন সবাই। আমি নাটকের ডায়লগ, এক্টিং ভুইলা যাইতাছি গা।
নিজে এখনো শতভাগ ফিট দাবি করে তিনি আরও বলেন, আমার কোনো টাকা পয়সা লাগবে না। আমি শুটকি ভর্তা ভাত খামু, কিন্তু আমারে একটু কাজ দিয়েন।
কেন অন্য কোনো পেশায় যাচ্ছেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম হোসেন যে উত্তর দিলেন তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি বলেন, এই চেহারাটা এমন মার্কা মারা যে প্রফেশনটা চেঞ্জও করতে পারতেছি না। আমি অটো চালাইলে আরেকটা শিল্পীর অপমান হবে। সেই কারণে শিল্পীগো সম্মান বাঁচাইতে গিয়া নিজেই না খাইয়া রইছি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কয়েকশ নাটকে অভিনয় করা এই শিল্পীকে পুনরায় পর্দায় ফেরাতে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে আসবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ দর্শকদের।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান অসহায়ত্বের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অভিনেতা। যৌবনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে কিছু সঞ্চয় না করাটাই এখন তার জীবনের বড় আক্ষেপ। শামীম বলেন, সঞ্চয় করি নাই। ভাবতাম আজ কামাই করছি, কালকেও তো করমুই। এই করতে গিয়েই কোনো পয়সা জমাতে পারি নাই।
শামীম হোসেনের তিন ছেলে এবং স্ত্রীসহ পাঁচজনের সংসার। গত দুই মাস ধরে ইউটিউবের সামান্য কাজটুকুও পাচ্ছেন না তিনি। আসন্ন ঈদ নিয়ে সন্তানদের কোনো পরিকল্পনা তো দূরে থাক, নূন্যতম আবদার করার সাহসও নেই তাদের। শামীম জানান, তার মাসুম বাচ্চারা পরিস্থিতি বুঝে কোনো কিছুই এখন আর চায় না।
এতটা অভাবের মাঝেও কারো কাছে হাত পাততে নারাজ এই শিল্পী। তার একমাত্র আকুতি, তাকে যেন আবারও অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি বলেন:
আমি কারো কাছে আর্থিক সাপোর্ট চাইবো না। আমি যদি হাত পাতি তাহলে আমার রবের কাছে চাইবো। আমি শুধু একটা জিনিসই চাইবো—আমাকে ঈদের পর থেকে কাজে ডাকেন সবাই। আমি নাটকের ডায়লগ, এক্টিং ভুইলা যাইতাছি গা।
নিজে এখনো শতভাগ ফিট দাবি করে তিনি আরও বলেন, আমার কোনো টাকা পয়সা লাগবে না। আমি শুটকি ভর্তা ভাত খামু, কিন্তু আমারে একটু কাজ দিয়েন।
কেন অন্য কোনো পেশায় যাচ্ছেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম হোসেন যে উত্তর দিলেন তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি বলেন, এই চেহারাটা এমন মার্কা মারা যে প্রফেশনটা চেঞ্জও করতে পারতেছি না। আমি অটো চালাইলে আরেকটা শিল্পীর অপমান হবে। সেই কারণে শিল্পীগো সম্মান বাঁচাইতে গিয়া নিজেই না খাইয়া রইছি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কয়েকশ নাটকে অভিনয় করা এই শিল্পীকে পুনরায় পর্দায় ফেরাতে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে আসবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ দর্শকদের।

আপনার মতামত লিখুন