গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দুটি বসতবাড়ি। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র এবং ঘরে রাখা বিক্রয়যোগ্য পেঁয়াজ ও পাটসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের অন্তত ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই রক্ষা করতে না পেরে এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে পরিবার দুটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এই মর্মান্তিক আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বহুগ্রামের বাসিন্দা তুষার বিশ্বাসের ঘর থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশেই থাকা তাঁর ছেলে সীমান্ত বিশ্বাসের বসতঘরে আগুন ধরে যায়। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরে থাকা কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং প্রায় ঘণ্টাখানেকের নিরলস চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে দুটি ঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, সঞ্চিত নগদ টাকা এবং বিক্রির জন্য ঘরে মজুদ করে রাখা ফসল পেঁয়াজ ও পাট সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই সম্ভবত এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। আগুনে ঘরের প্রয়োজনীয় সব গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, জমানো টাকা ও অন্যান্য আসবাব পুড়ে যাওয়ায় পরিবারগুলোকে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশিস মজুমদার জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তুষার বিশ্বাসের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পাশের ছেলে সীমান্ত বিশ্বাসের ঘরেও ধরে যায়। গ্রামবাসী অনেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও পুড়ে যাওয়া বসতঘর দুটি থেকে কোনো আসবাবপত্র বা মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটি এখন একেবারেই সর্বস্বান্ত।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দুটি বসতবাড়ি। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র এবং ঘরে রাখা বিক্রয়যোগ্য পেঁয়াজ ও পাটসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের অন্তত ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই রক্ষা করতে না পেরে এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে পরিবার দুটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এই মর্মান্তিক আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বহুগ্রামের বাসিন্দা তুষার বিশ্বাসের ঘর থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশেই থাকা তাঁর ছেলে সীমান্ত বিশ্বাসের বসতঘরে আগুন ধরে যায়। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরে থাকা কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং প্রায় ঘণ্টাখানেকের নিরলস চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে দুটি ঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, সঞ্চিত নগদ টাকা এবং বিক্রির জন্য ঘরে মজুদ করে রাখা ফসল পেঁয়াজ ও পাট সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই সম্ভবত এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। আগুনে ঘরের প্রয়োজনীয় সব গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, জমানো টাকা ও অন্যান্য আসবাব পুড়ে যাওয়ায় পরিবারগুলোকে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশিস মজুমদার জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তুষার বিশ্বাসের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পাশের ছেলে সীমান্ত বিশ্বাসের ঘরেও ধরে যায়। গ্রামবাসী অনেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও পুড়ে যাওয়া বসতঘর দুটি থেকে কোনো আসবাবপত্র বা মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটি এখন একেবারেই সর্বস্বান্ত।

আপনার মতামত লিখুন