মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

গাংনীতে শিমুল-পলাশের লাল আভা: ঋতুরাজ বসন্তের আবাহনে প্রকৃতিতে রঙের মেলা।

গাংনীতে শিমুল-পলাশের লাল আভা: ঋতুরাজ বসন্তের আবাহনে প্রকৃতিতে রঙের মেলা।

প্রকৃতি থেকে শীতের চাদর এখনো পুরোপুরি সরেনি, কিন্তু রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি দিনের আলতো স্পর্শ আর পাতা ঝরা গাছে নতুন কুঁড়ির আগমন জানান দিচ্ছে বসন্তের। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের মেঠোপথ এখন শিমুল ও পলাশের রঙে রঙিন। কোকিলের কুহুতান আর বাতাসে ফুলের ঘ্রাণে প্রকৃতি যেন এক নতুন রূপে জেগে উঠেছে।

রঙিন সড়কের হাতছানি: গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া, কল্যাণপুর, বামন্দী, করমদি, দেবীপুর, বালিয়াঘাট ও হারাভাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শিমুলগাছে ফুটে আছে টকটকে লাল ফুল। তবে শিমুলের তুলনায় পলাশ গাছের উপস্থিতি অনেকটাই কম। স্থানীয়দের আক্ষেপ ও মুগ্ধতা: কল্যাণপুর গ্রামের ফয়সাল আহাম্মেদ জানান, শিমুলের লাল আভা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লেও পলাশ গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের মতো দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য আর দেখা যায় না। পথচারী রাজু আহমেদ বলেন, “পলাশী গ্রামে একটি পলাশ গাছে পূর্ণ ফুল ফুটেছে, যা দেখতে অপরূপ। কিন্তু এই গাছ এখন হাতেগোনা কয়েক স্থানেই দেখা যায়।” গাংনী পলাশী পাড়া গ্রামে পলাশ ফুল ফুটে আছে। ছবি:সংগ্রহ পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ পরামর্শ দিয়ে বলেন, রাস্তার ধারে আরও বেশি করে এসব দেশীয় ফুলের গাছ লাগালে এলাকার সৌন্দর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। হারিয়ে যাওয়া পলাশ রক্ষায় উদ্যোগ: তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম পলাশ গাছ হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রকৃতিকে তার রঙিন রূপ ফিরিয়ে দিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পলাশ গাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন। বন বিভাগের বক্তব্য: জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার জানান, আগামী জুন-জুলাই মাসে সরকারি পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাস্তার ধারে বিশেষভাবে ফুলের গাছ লাগানোর কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা এখন পর্যন্ত নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই চমৎকার উদ্যোগটি নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। শিমুল ও পলাশ শুধু প্রকৃতিকে রাঙায় না, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ। গাংনীর এই রঙিন মেঠোপথগুলো এখন দর্শনার্থীদের জন্য এক প্রশান্তির ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গাংনীতে শিমুল-পলাশের লাল আভা: ঋতুরাজ বসন্তের আবাহনে প্রকৃতিতে রঙের মেলা।

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রকৃতি থেকে শীতের চাদর এখনো পুরোপুরি সরেনি, কিন্তু রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি দিনের আলতো স্পর্শ আর পাতা ঝরা গাছে নতুন কুঁড়ির আগমন জানান দিচ্ছে বসন্তের। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের মেঠোপথ এখন শিমুল ও পলাশের রঙে রঙিন। কোকিলের কুহুতান আর বাতাসে ফুলের ঘ্রাণে প্রকৃতি যেন এক নতুন রূপে জেগে উঠেছে।

রঙিন সড়কের হাতছানি: গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া, কল্যাণপুর, বামন্দী, করমদি, দেবীপুর, বালিয়াঘাট ও হারাভাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শিমুলগাছে ফুটে আছে টকটকে লাল ফুল। তবে শিমুলের তুলনায় পলাশ গাছের উপস্থিতি অনেকটাই কম। স্থানীয়দের আক্ষেপ ও মুগ্ধতা: কল্যাণপুর গ্রামের ফয়সাল আহাম্মেদ জানান, শিমুলের লাল আভা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লেও পলাশ গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের মতো দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য আর দেখা যায় না। পথচারী রাজু আহমেদ বলেন, “পলাশী গ্রামে একটি পলাশ গাছে পূর্ণ ফুল ফুটেছে, যা দেখতে অপরূপ। কিন্তু এই গাছ এখন হাতেগোনা কয়েক স্থানেই দেখা যায়।” গাংনী পলাশী পাড়া গ্রামে পলাশ ফুল ফুটে আছে। ছবি:সংগ্রহ পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ পরামর্শ দিয়ে বলেন, রাস্তার ধারে আরও বেশি করে এসব দেশীয় ফুলের গাছ লাগালে এলাকার সৌন্দর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। হারিয়ে যাওয়া পলাশ রক্ষায় উদ্যোগ: তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম পলাশ গাছ হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রকৃতিকে তার রঙিন রূপ ফিরিয়ে দিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পলাশ গাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন। বন বিভাগের বক্তব্য: জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার জানান, আগামী জুন-জুলাই মাসে সরকারি পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাস্তার ধারে বিশেষভাবে ফুলের গাছ লাগানোর কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা এখন পর্যন্ত নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই চমৎকার উদ্যোগটি নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। শিমুল ও পলাশ শুধু প্রকৃতিকে রাঙায় না, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ। গাংনীর এই রঙিন মেঠোপথগুলো এখন দর্শনার্থীদের জন্য এক প্রশান্তির ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।

দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো