গাংনী পলাশী পাড়া গ্রামে পলাশ ফুল ফুটে আছে। ছবি:সংগ্রহ
পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ পরামর্শ দিয়ে বলেন, রাস্তার ধারে আরও বেশি করে এসব দেশীয় ফুলের গাছ লাগালে এলাকার সৌন্দর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
হারিয়ে যাওয়া পলাশ রক্ষায় উদ্যোগ:
তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম পলাশ গাছ হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রকৃতিকে তার রঙিন রূপ ফিরিয়ে দিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পলাশ গাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন।
বন বিভাগের বক্তব্য:
জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার জানান, আগামী জুন-জুলাই মাসে সরকারি পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাস্তার ধারে বিশেষভাবে ফুলের গাছ লাগানোর কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা এখন পর্যন্ত নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই চমৎকার উদ্যোগটি নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শিমুল ও পলাশ শুধু প্রকৃতিকে রাঙায় না, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ। গাংনীর এই রঙিন মেঠোপথগুলো এখন দর্শনার্থীদের জন্য এক প্রশান্তির ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
গাংনী পলাশী পাড়া গ্রামে পলাশ ফুল ফুটে আছে। ছবি:সংগ্রহ
পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ পরামর্শ দিয়ে বলেন, রাস্তার ধারে আরও বেশি করে এসব দেশীয় ফুলের গাছ লাগালে এলাকার সৌন্দর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
হারিয়ে যাওয়া পলাশ রক্ষায় উদ্যোগ:
তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম পলাশ গাছ হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রকৃতিকে তার রঙিন রূপ ফিরিয়ে দিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পলাশ গাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন।
বন বিভাগের বক্তব্য:
জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার জানান, আগামী জুন-জুলাই মাসে সরকারি পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাস্তার ধারে বিশেষভাবে ফুলের গাছ লাগানোর কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা এখন পর্যন্ত নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই চমৎকার উদ্যোগটি নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শিমুল ও পলাশ শুধু প্রকৃতিকে রাঙায় না, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও অংশ। গাংনীর এই রঙিন মেঠোপথগুলো এখন দর্শনার্থীদের জন্য এক প্রশান্তির ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। 
আপনার মতামত লিখুন