চলতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদীয় কার্যবলী সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংক্রান্ত যাবতীয় সংসদীয় কার্যক্রমের মূল দায়িত্ব পালন করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে পর্যায়ক্রমে এই দায়িত্ব সামলাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২৪ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে কেবল মূল মন্ত্রীই নন, কোনো কারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী সংসদে অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প হিসেবে কারা সেই সংসদীয় দায়িত্ব পালন করবেন, তাও সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ছাড়াও বিকল্প দায়িত্বে রাখা হয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে।
অন্যান্য প্রধান মন্ত্রণালয়গুলোর সংসদীয় কার্যাবলীর দায়িত্ব বণ্টনে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাবেন মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে থাকবেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আফরোজা খানমকে, তাঁর অনুপস্থিতিতে সংসদীয় উত্তর ও কার্যক্রম সামলাবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যভার পেয়েছেন মন্ত্রী আন্দালিব রহমান। তাঁর অনুপস্থিতিতে এ দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মন্ত্রী এম রশিদউজ্জামান মিল্লাত এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাচিং প্রুকে। তবে সংসদ চলাকালে এই দুই মন্ত্রীর যেকোনো একজনের অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে এবং পূর্বে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নিয়মাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হয়ে শপথ গ্রহণ করেন। নবনিযুক্তদের দপ্তর বণ্টন ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ধারাবাহিকতায় সংসদে কার্যপ্রণালী সুনির্দিষ্ট করতেই নতুন করে এই বিকল্প দায়িত্ব অর্পণ করা হলো।
বিষয় : জাতীয়

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
চলতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংসদীয় কার্যবলী সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংক্রান্ত যাবতীয় সংসদীয় কার্যক্রমের মূল দায়িত্ব পালন করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে পর্যায়ক্রমে এই দায়িত্ব সামলাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২৪ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে কেবল মূল মন্ত্রীই নন, কোনো কারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী সংসদে অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প হিসেবে কারা সেই সংসদীয় দায়িত্ব পালন করবেন, তাও সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ছাড়াও বিকল্প দায়িত্বে রাখা হয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে।
অন্যান্য প্রধান মন্ত্রণালয়গুলোর সংসদীয় কার্যাবলীর দায়িত্ব বণ্টনে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাবেন মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে থাকবেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আফরোজা খানমকে, তাঁর অনুপস্থিতিতে সংসদীয় উত্তর ও কার্যক্রম সামলাবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যভার পেয়েছেন মন্ত্রী আন্দালিব রহমান। তাঁর অনুপস্থিতিতে এ দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মন্ত্রী এম রশিদউজ্জামান মিল্লাত এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাচিং প্রুকে। তবে সংসদ চলাকালে এই দুই মন্ত্রীর যেকোনো একজনের অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে এবং পূর্বে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নিয়মাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হয়ে শপথ গ্রহণ করেন। নবনিযুক্তদের দপ্তর বণ্টন ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ধারাবাহিকতায় সংসদে কার্যপ্রণালী সুনির্দিষ্ট করতেই নতুন করে এই বিকল্প দায়িত্ব অর্পণ করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন