বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীতে দু’টি বিষাক্ত নৌ মাইনের (মাঝ সাগরে ব্যবহৃত মাইন) সাথে বিকট সংঘর্ষের পর একটি বিদেশি বহুজাতিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সাগরের দক্ষিণাংশে এই আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিয়ম অমান্য করে এবং অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিযুক্ত জলসীমা ব্যবহার করে যাত্রা করার সময় একটি সুপারট্যাঙ্কার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নির্ধারিত পথ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা জাহাজটি সাগরে পূর্ব থেকে পেতে রাখা দু’টি শক্তিশালী নৌ মাইনে আঘাত হানে। বিস্ফোরণের পর পরই জাহাজটিতে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায় এবং এর সব ধরণের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পুরো ট্যাঙ্কারটি সমুদ্রের মাঝপথে সম্পূর্ণ অচল ও স্থবির হয়ে পড়ে।
বিপ্লবী গার্ডসের বিবৃতিতে এই বাণিজ্যিক দূরপাল্লার জাহাজটিকে একটি ‘বেপরোয়া সুপারট্যাঙ্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সমুদ্রের উক্ত সীমানায় মাইন কীভাবে আসল বা ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটি কোন দেশের মালিকানাধীন—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট খনিজ তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেখানে এই ধরনের মাইনিং বিস্ফোরণ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় নৌ-চলাচলে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং নিখোঁজ নাবিকদের উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীতে দু’টি বিষাক্ত নৌ মাইনের (মাঝ সাগরে ব্যবহৃত মাইন) সাথে বিকট সংঘর্ষের পর একটি বিদেশি বহুজাতিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সাগরের দক্ষিণাংশে এই আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিয়ম অমান্য করে এবং অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিযুক্ত জলসীমা ব্যবহার করে যাত্রা করার সময় একটি সুপারট্যাঙ্কার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নির্ধারিত পথ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা জাহাজটি সাগরে পূর্ব থেকে পেতে রাখা দু’টি শক্তিশালী নৌ মাইনে আঘাত হানে। বিস্ফোরণের পর পরই জাহাজটিতে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায় এবং এর সব ধরণের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পুরো ট্যাঙ্কারটি সমুদ্রের মাঝপথে সম্পূর্ণ অচল ও স্থবির হয়ে পড়ে।
বিপ্লবী গার্ডসের বিবৃতিতে এই বাণিজ্যিক দূরপাল্লার জাহাজটিকে একটি ‘বেপরোয়া সুপারট্যাঙ্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সমুদ্রের উক্ত সীমানায় মাইন কীভাবে আসল বা ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটি কোন দেশের মালিকানাধীন—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট খনিজ তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেখানে এই ধরনের মাইনিং বিস্ফোরণ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় নৌ-চলাচলে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং নিখোঁজ নাবিকদের উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন