বিলরুট খালের শীতল হাওয়া আর শতবর্ষের ইতিহাস বুকে নিয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে গোপালগঞ্জের আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি। প্রায় ১২৬ বছর আগে, ১৯০০ সালের দিকে নির্মিত এই দোতলা প্রাসাদটি অঞ্চলটির প্রাচীন স্থাপত্য ও সামাজিক ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত এই জমকালো মুন্সীবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তৎকালীন প্রভাবশালী জমিদার ও প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব আবদুল হামিদ মুন্সী।
জমিদার আবদুল হামিদ মুন্সী কেবল ভূস্বামীই ছিলেন না, ছিলেন এক দূরদর্শী সমাজসংস্কারক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। এলাকার শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। তিনি একাধারে আড়পাড়া হাইস্কুল এবং চন্দ্রদিঘলিয়া মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
স্থাপত্য শিল্পেও তাঁর অনুরাগের প্রমাণ মেলে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে এবং বিলরুট ক্যানেলের পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মিনার মসজিদ’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং দৃষ্টিনন্দন কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
আড়পাড়া গ্রামে তাঁর প্রতিষ্ঠিত দ্বিবাহু বা দোতলা এই ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদটি তৎকালীন অভিজাত স্থাপত্যরীতির এক অনন্য নিদর্শন। বর্তমানে এটি সাধারণ মানুষের কাছে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত হলেও, শত বছরের পুরোনো এই ইট-পাথরের দেয়ালগুলো ধারণ করে আছে একসময়ের জৌলুশময় ইতিহাস।
১৯৬৯ সালের ২১ জানুয়ারি এই প্রখ্যাত গুণী ব্যক্তিত্ব মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রয়াণের বহু দশক পার হয়ে গেলেও, গোপালগঞ্জের মাটিতে তাঁর নাম এবং প্রতিষ্ঠিত আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি আজও কালের আবর্তে অমলিন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক মুন্সীবাড়িতে যাতায়াত অত্যন্ত সহজ ও সুবিধাজনক।
ঢাকা বা অন্যান্য জেলা থেকে:
ঢাকা থেকে বাসযোগে (যেমন: টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস,ইমাদ পরিবহন ইত্যাদি) ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক হয়ে সরাসরি গোপালগঞ্জের হরিদাসপুর ব্রিজে নামতে হবে।
গোপালগঞ্জ শহর থেকে:
গোপালগঞ্জ জেলা শহর বা পৌর বাসস্ট্যান্ড থেকে যেকোনো লোকাল বাস, অটো রিকশা বা ইজিবাইকে চেপে হরিদাসপুর বা আড়পাড়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানো যায়।
হরিদাসপুর থেকে মুন্সীবাড়ি:
হরিদাসপুর মোড় বা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন বিলরুট ক্যানেলের পশ্চিম পাড় ধরে স্থানীয় ভ্যান, ইজিবাইক বা হেঁটে ১-২ কিলোমিটারের মধ্যে সরাসরি ঐতিহাসিক আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি ও ঐতিহ্যবাহী মিনার মসজিদে যাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিলরুট খালের শীতল হাওয়া আর শতবর্ষের ইতিহাস বুকে নিয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে গোপালগঞ্জের আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি। প্রায় ১২৬ বছর আগে, ১৯০০ সালের দিকে নির্মিত এই দোতলা প্রাসাদটি অঞ্চলটির প্রাচীন স্থাপত্য ও সামাজিক ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত এই জমকালো মুন্সীবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তৎকালীন প্রভাবশালী জমিদার ও প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব আবদুল হামিদ মুন্সী।
জমিদার আবদুল হামিদ মুন্সী কেবল ভূস্বামীই ছিলেন না, ছিলেন এক দূরদর্শী সমাজসংস্কারক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। এলাকার শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। তিনি একাধারে আড়পাড়া হাইস্কুল এবং চন্দ্রদিঘলিয়া মাদ্রাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
স্থাপত্য শিল্পেও তাঁর অনুরাগের প্রমাণ মেলে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে এবং বিলরুট ক্যানেলের পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মিনার মসজিদ’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং দৃষ্টিনন্দন কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
আড়পাড়া গ্রামে তাঁর প্রতিষ্ঠিত দ্বিবাহু বা দোতলা এই ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদটি তৎকালীন অভিজাত স্থাপত্যরীতির এক অনন্য নিদর্শন। বর্তমানে এটি সাধারণ মানুষের কাছে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত হলেও, শত বছরের পুরোনো এই ইট-পাথরের দেয়ালগুলো ধারণ করে আছে একসময়ের জৌলুশময় ইতিহাস।
১৯৬৯ সালের ২১ জানুয়ারি এই প্রখ্যাত গুণী ব্যক্তিত্ব মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রয়াণের বহু দশক পার হয়ে গেলেও, গোপালগঞ্জের মাটিতে তাঁর নাম এবং প্রতিষ্ঠিত আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি আজও কালের আবর্তে অমলিন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক মুন্সীবাড়িতে যাতায়াত অত্যন্ত সহজ ও সুবিধাজনক।
ঢাকা বা অন্যান্য জেলা থেকে:
ঢাকা থেকে বাসযোগে (যেমন: টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস,ইমাদ পরিবহন ইত্যাদি) ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক হয়ে সরাসরি গোপালগঞ্জের হরিদাসপুর ব্রিজে নামতে হবে।
গোপালগঞ্জ শহর থেকে:
গোপালগঞ্জ জেলা শহর বা পৌর বাসস্ট্যান্ড থেকে যেকোনো লোকাল বাস, অটো রিকশা বা ইজিবাইকে চেপে হরিদাসপুর বা আড়পাড়া বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানো যায়।
হরিদাসপুর থেকে মুন্সীবাড়ি:
হরিদাসপুর মোড় বা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন বিলরুট ক্যানেলের পশ্চিম পাড় ধরে স্থানীয় ভ্যান, ইজিবাইক বা হেঁটে ১-২ কিলোমিটারের মধ্যে সরাসরি ঐতিহাসিক আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি ও ঐতিহ্যবাহী মিনার মসজিদে যাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন