নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার গোপালাশ্রম গ্রামের বৃদ্ধ আলিম উদ্দীনের জীবনের শেষ দিনগুলো কাটছে চরম অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্য দিয়ে। থাকার মতো একটি নিরাপদ ঘর নেই, নেই পাশে যত্ন নেওয়ার মতো কেউ। স্ত্রীহারা এই বৃদ্ধের ছেলেরা আলাদা বসবাস করায় চরম বার্ধক্য আর মারাত্মক অসুস্থতার মধ্যে পুরোপুরি নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, আলিম উদ্দীনের বর্তমান বাসস্থানটির অবস্থা অত্যন্ত করুণ ও বিপজ্জনক। ঘরের অধিকাংশ খুঁটি ও বেড়া ভেঙে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই মাথার ওপর পানি পড়ে, আর যেকোনো সময় পুরো ঘরটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিমুহূর্তে ধসে পড়ার ভয় নিয়েই দিন-রাত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এই বৃদ্ধ।
মাথার ওপর নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছেন আলিম উদ্দীন। বয়সের ভার আর শারীরিক অসুস্থতার কারণে কোনো ধরনের কাজকর্ম করার শক্তি নেই তাঁর। ফলে ঠিকমতো ওষুধ কেনা কিংবা তিন বেলা খাওয়ার খরচ জোগাতেই নাভিশ্বাস উঠছে এই অসহায় মানুষটির।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুখারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা আশরাফ কামাল তুহিন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আলিম উদ্দীন সত্যিই এক করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি। তাঁর থাকার ঘরটি এতটাই নড়বড়ে যে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দ্রুত সরেজমিনে দেখে তাঁর মাথার ওপর একটি নিরাপদ চালের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
এদিকে, এলাকার সুশীল সমাজ ও প্রতিবেশীদের জোর দাবি—বৃদ্ধ আলিম উদ্দীনের জন্য একটি স্থায়ী সরকারি ঘরের সংস্থান এবং চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানরা দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে এই নিভৃতচারী বৃদ্ধের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার গোপালাশ্রম গ্রামের বৃদ্ধ আলিম উদ্দীনের জীবনের শেষ দিনগুলো কাটছে চরম অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্য দিয়ে। থাকার মতো একটি নিরাপদ ঘর নেই, নেই পাশে যত্ন নেওয়ার মতো কেউ। স্ত্রীহারা এই বৃদ্ধের ছেলেরা আলাদা বসবাস করায় চরম বার্ধক্য আর মারাত্মক অসুস্থতার মধ্যে পুরোপুরি নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, আলিম উদ্দীনের বর্তমান বাসস্থানটির অবস্থা অত্যন্ত করুণ ও বিপজ্জনক। ঘরের অধিকাংশ খুঁটি ও বেড়া ভেঙে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই মাথার ওপর পানি পড়ে, আর যেকোনো সময় পুরো ঘরটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিমুহূর্তে ধসে পড়ার ভয় নিয়েই দিন-রাত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এই বৃদ্ধ।
মাথার ওপর নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছেন আলিম উদ্দীন। বয়সের ভার আর শারীরিক অসুস্থতার কারণে কোনো ধরনের কাজকর্ম করার শক্তি নেই তাঁর। ফলে ঠিকমতো ওষুধ কেনা কিংবা তিন বেলা খাওয়ার খরচ জোগাতেই নাভিশ্বাস উঠছে এই অসহায় মানুষটির।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুখারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা আশরাফ কামাল তুহিন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আলিম উদ্দীন সত্যিই এক করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি। তাঁর থাকার ঘরটি এতটাই নড়বড়ে যে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দ্রুত সরেজমিনে দেখে তাঁর মাথার ওপর একটি নিরাপদ চালের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
এদিকে, এলাকার সুশীল সমাজ ও প্রতিবেশীদের জোর দাবি—বৃদ্ধ আলিম উদ্দীনের জন্য একটি স্থায়ী সরকারি ঘরের সংস্থান এবং চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানরা দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে এই নিভৃতচারী বৃদ্ধের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

আপনার মতামত লিখুন