একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফেনীর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া নদী পুনঃখনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ৩টার দিকে ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর এলাকায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে সুধী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু দুষ্টু লোক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করছে। জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে, তাই আইন যাতে সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, তা বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে সুনিশ্চিত করবে। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমরা লক্ষ্য করছি কিছু রাজনৈতিক দল কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালেও এসব শক্তির ভূমিকা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। যেভাবে ওই সময়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল, ঠিক একইভাবে আবারও নারী নির্যাতনের ঘটনা শুরু হয়েছে। এক ব্যক্তির জীবনাবসানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তদন্তাধীন বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও পরিস্থিতি বিচারে এখন সবাইকে সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। কোন দল বা কার কথা বিশ্বাস করা উচিত আর কার কথা নয়, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি। বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি নিজ ঘরের প্রতি নজর দিতে এবং নিজেদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরামর্শ দেন।
পরশুরামকে নিজের নানাবাড়ি উল্লেখ করে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ১৯৮৪ সালে প্রথম আগমন এবং ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।
নদী খননের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, সাম্প্রতিক বড় বন্যায় নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা ও বন্যা প্রতিরোধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে, কারণ বিএনপি মানুষের রাজনীতি করে।
এ ছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের দাবির প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেখানে ৩০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া তা বাড়িয়ে ৫০ শয্যা করেছিলেন—সেই ধারায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করবে। এতে প্রান্তিক এলাকার মানুষকে চিকিৎসাসেবার জন্য শহরের দিকে দৌড়াতে হবে না।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, দেশের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সেবায় সরকার নিরলস কাজ করে যাবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফেনীর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া নদী পুনঃখনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ৩টার দিকে ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর এলাকায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে সুধী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু দুষ্টু লোক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করছে। জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে, তাই আইন যাতে সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, তা বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে সুনিশ্চিত করবে। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমরা লক্ষ্য করছি কিছু রাজনৈতিক দল কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালেও এসব শক্তির ভূমিকা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। যেভাবে ওই সময়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল, ঠিক একইভাবে আবারও নারী নির্যাতনের ঘটনা শুরু হয়েছে। এক ব্যক্তির জীবনাবসানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তদন্তাধীন বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও পরিস্থিতি বিচারে এখন সবাইকে সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। কোন দল বা কার কথা বিশ্বাস করা উচিত আর কার কথা নয়, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি। বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি নিজ ঘরের প্রতি নজর দিতে এবং নিজেদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরামর্শ দেন।
পরশুরামকে নিজের নানাবাড়ি উল্লেখ করে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ১৯৮৪ সালে প্রথম আগমন এবং ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।
নদী খননের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, সাম্প্রতিক বড় বন্যায় নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা ও বন্যা প্রতিরোধে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে, কারণ বিএনপি মানুষের রাজনীতি করে।
এ ছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের দাবির প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেখানে ৩০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া তা বাড়িয়ে ৫০ শয্যা করেছিলেন—সেই ধারায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করবে। এতে প্রান্তিক এলাকার মানুষকে চিকিৎসাসেবার জন্য শহরের দিকে দৌড়াতে হবে না।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, দেশের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সেবায় সরকার নিরলস কাজ করে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন