শীতের শাকসবজি এখনো পুরোপুরি বাজারে উঠতে শুরু করেনি, অথচ তার আগেই রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম রয়েছে বেশ উর্ধ্বমুখী। পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া বাদ দিলে অধিকাংশ সবজিই ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকার বেশি দামে। এর বিপরীতে মুরগি ও ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও চাল ও সয়াবিন তেলের দাম আগের চড়া অবস্থাতেই স্থিতিশীল রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের এই চিত্র দেখা গেছে।
বাজারের তথ্য অনুযায়ী, আগাম জাতের শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা এবং পাকা টমেটোর কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল প্রতি কেজি ৮০ টাকায় এবং বেগুন ও কাঁকরোল ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে তুলনামূলক কম দামে মিলছে কেবল পেঁপে (৩০ টাকা কেজি) ও মিষ্টিকুমড়া (৫০ টাকা কেজি)। বিক্রেতারা বলছেন, শীতের সবজি আসার আগের এই সময়ে ট্রাকভাড়া বৃদ্ধিসহ সরবরাহের ঘাটতির কারণে সবজির দাম চড়া রয়েছে। এদিকে পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং স্থানীয় রসুন ১৪০ ও আমদানি করা রসুন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি রয়ে গেছে ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।
সবজির চড়া দামের মাঝে কিছুটা স্বস্তি মিলছে আমিষের বাজারে। গরমের তীব্রতা কমে যাওয়ায় খামারে উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় নেমেছে। পাশাপাশি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে ১৬০ টাকা ডজন পর্যন্ত ওঠা ফার্মের ডিমের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে এখন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে চালের বাজারে স্বস্তির খবর নেই। গত এক থেকে দেড় সপ্তাহে কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বাড়ার পর চালের সেই বাড়তি দামই বহাল রয়েছে। খুচরা বাজারে মোটা চাল ৫৫ টাকা, মাঝারি আটাশ ও পাইজাম ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা এবং সরু নাজিরশাইল চাল মানভেদে ৮০ থেকে ৮৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার আগের মতোই প্রতি লিটার ২১০ টাকা এবং দুই লিটার ৪১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিত্যপণ্যের এই বাজারে শীতের নতুন সবজি পুরোদমে বাজারে এলে তবেই সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শীতের শাকসবজি এখনো পুরোপুরি বাজারে উঠতে শুরু করেনি, অথচ তার আগেই রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম রয়েছে বেশ উর্ধ্বমুখী। পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া বাদ দিলে অধিকাংশ সবজিই ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকার বেশি দামে। এর বিপরীতে মুরগি ও ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও চাল ও সয়াবিন তেলের দাম আগের চড়া অবস্থাতেই স্থিতিশীল রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের এই চিত্র দেখা গেছে।
বাজারের তথ্য অনুযায়ী, আগাম জাতের শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা এবং পাকা টমেটোর কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল প্রতি কেজি ৮০ টাকায় এবং বেগুন ও কাঁকরোল ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে তুলনামূলক কম দামে মিলছে কেবল পেঁপে (৩০ টাকা কেজি) ও মিষ্টিকুমড়া (৫০ টাকা কেজি)। বিক্রেতারা বলছেন, শীতের সবজি আসার আগের এই সময়ে ট্রাকভাড়া বৃদ্ধিসহ সরবরাহের ঘাটতির কারণে সবজির দাম চড়া রয়েছে। এদিকে পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং স্থানীয় রসুন ১৪০ ও আমদানি করা রসুন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি রয়ে গেছে ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।
সবজির চড়া দামের মাঝে কিছুটা স্বস্তি মিলছে আমিষের বাজারে। গরমের তীব্রতা কমে যাওয়ায় খামারে উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় নেমেছে। পাশাপাশি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে ১৬০ টাকা ডজন পর্যন্ত ওঠা ফার্মের ডিমের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে এখন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে চালের বাজারে স্বস্তির খবর নেই। গত এক থেকে দেড় সপ্তাহে কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বাড়ার পর চালের সেই বাড়তি দামই বহাল রয়েছে। খুচরা বাজারে মোটা চাল ৫৫ টাকা, মাঝারি আটাশ ও পাইজাম ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা এবং সরু নাজিরশাইল চাল মানভেদে ৮০ থেকে ৮৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার আগের মতোই প্রতি লিটার ২১০ টাকা এবং দুই লিটার ৪১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিত্যপণ্যের এই বাজারে শীতের নতুন সবজি পুরোদমে বাজারে এলে তবেই সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন