সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে দক্ষিণ দিক থেকে আসা তীব্র ঝড় উপকূলের অন্তত ১০টি এলাকায় আঘাত হানে। শুরুতে হালকা বাতাস থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ নেয়। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে। প্রবল বাতাসে বহু টিনের চালা উড়ে গেছে, কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে সেহরির আগেই ঝড়ে তাঁর ঘরের চালা উড়ে যায়। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ঈদের মাত্র তিন দিন আগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।’ তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ঝড়ে উপজেলার নিম্নোক্ত এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে:
চর মানিকা ইউনিয়নের বাসিন্দা সেলিম জানান, ঝড়ে চর কচ্ছপিয়া বাজারে তাঁর ঘরের চালাও উড়ে গেছে। ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল বলেন, ‘শুধু ঢালচরেই প্রায় ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনকে জানিয়েছি।’
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন বলেন, ‘ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে যাতে তারা ঈদের আগে কিছুটা স্বস্তি পায়।’

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে দক্ষিণ দিক থেকে আসা তীব্র ঝড় উপকূলের অন্তত ১০টি এলাকায় আঘাত হানে। শুরুতে হালকা বাতাস থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ নেয়। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে। প্রবল বাতাসে বহু টিনের চালা উড়ে গেছে, কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে সেহরির আগেই ঝড়ে তাঁর ঘরের চালা উড়ে যায়। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ঈদের মাত্র তিন দিন আগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।’ তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ঝড়ে উপজেলার নিম্নোক্ত এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে:
চর মানিকা ইউনিয়নের বাসিন্দা সেলিম জানান, ঝড়ে চর কচ্ছপিয়া বাজারে তাঁর ঘরের চালাও উড়ে গেছে। ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল বলেন, ‘শুধু ঢালচরেই প্রায় ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনকে জানিয়েছি।’
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন বলেন, ‘ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে যাতে তারা ঈদের আগে কিছুটা স্বস্তি পায়।’

আপনার মতামত লিখুন