মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

ঈদের আগে চরফ্যাশনে ঝড়ের তাণ্ডব: লন্ডভন্ড অর্ধশত ঘরবাড়ি, খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্তরা।

ঈদের আগে চরফ্যাশনে ঝড়ের তাণ্ডব: লন্ডভন্ড অর্ধশত ঘরবাড়ি, খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্তরা।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে হঠাৎ আঘাত হানা রাতের ঝড়ে অন্তত অর্ধশত পরিবারের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঠিক আগে চরম বিপাকে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে দক্ষিণ দিক থেকে আসা তীব্র ঝড় উপকূলের অন্তত ১০টি এলাকায় আঘাত হানে। শুরুতে হালকা বাতাস থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ নেয়। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে। প্রবল বাতাসে বহু টিনের চালা উড়ে গেছে, কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে।

ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে সেহরির আগেই ঝড়ে তাঁর ঘরের চালা উড়ে যায়। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ঈদের মাত্র তিন দিন আগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।’ তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ঝড়ে উপজেলার নিম্নোক্ত এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে:

  • ঢালচর (সবচেয়ে বেশি ৩০টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত)
  • কুকরি-মুকরি
  • চর পাতিলা ও চর নিজাম
  • চর ফারুকি ও চর মানিকা
  • নজরুল নগরসহ অন্তত ১০টি এলাকা।

চর মানিকা ইউনিয়নের বাসিন্দা সেলিম জানান, ঝড়ে চর কচ্ছপিয়া বাজারে তাঁর ঘরের চালাও উড়ে গেছে। ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল বলেন, ‘শুধু ঢালচরেই প্রায় ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনকে জানিয়েছি।’

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন বলেন, ‘ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে যাতে তারা ঈদের আগে কিছুটা স্বস্তি পায়।’

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ঈদের আগে চরফ্যাশনে ঝড়ের তাণ্ডব: লন্ডভন্ড অর্ধশত ঘরবাড়ি, খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্তরা।

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে হঠাৎ আঘাত হানা রাতের ঝড়ে অন্তত অর্ধশত পরিবারের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঠিক আগে চরম বিপাকে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে দক্ষিণ দিক থেকে আসা তীব্র ঝড় উপকূলের অন্তত ১০টি এলাকায় আঘাত হানে। শুরুতে হালকা বাতাস থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ নেয়। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে। প্রবল বাতাসে বহু টিনের চালা উড়ে গেছে, কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে।

ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে সেহরির আগেই ঝড়ে তাঁর ঘরের চালা উড়ে যায়। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ঈদের মাত্র তিন দিন আগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।’ তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ঝড়ে উপজেলার নিম্নোক্ত এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে:

  • ঢালচর (সবচেয়ে বেশি ৩০টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত)
  • কুকরি-মুকরি
  • চর পাতিলা ও চর নিজাম
  • চর ফারুকি ও চর মানিকা
  • নজরুল নগরসহ অন্তত ১০টি এলাকা।

চর মানিকা ইউনিয়নের বাসিন্দা সেলিম জানান, ঝড়ে চর কচ্ছপিয়া বাজারে তাঁর ঘরের চালাও উড়ে গেছে। ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল বলেন, ‘শুধু ঢালচরেই প্রায় ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনকে জানিয়েছি।’

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন বলেন, ‘ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে যাতে তারা ঈদের আগে কিছুটা স্বস্তি পায়।’


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো