আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিত পরাজয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাকফুটে চলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে টুর্নামেন্টের অন্যতম পরাশক্তি ও র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকা আফগানিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়রা। তবে সমীকরণ বলছে, কেবল আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাধারণ জয় পেলেই ফাইনালের টিকিট মিলবে না, পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে থাকতে হলে লাল-সবুজের প্রতিনিধিকে জিততে হবে বিশাল ব্যবধানে।
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড কিংবা পাকিস্তানের মতো পরাশক্তিদের বিপক্ষে নিয়মিত সাফল্য পেলেও বিদেশের মাটিতে বরাবরই খাবি খাচ্ছে বাংলাদেশ। আবুধাবির চেনা উইকেটে জিম্বাবুয়ে যেখানে ২৭১ রান তোলে, সেখানে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস। এমন বাজে পারফরম্যান্স ও লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বারবার ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে বিদেশের মাটিতে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা ও প্রস্তুতির ঘাটতিকে দায়ী করছেন দলের ভেতরকার সংশ্লিষ্টরা।
আফগানদের মুখোমুখি হওয়ার আগে গত মঙ্গলবার আবুধাবিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দলগত মানসিকতা পরিবর্তনের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, দেশের মাঠে দল যেভাবে খেলে, বিদেশের মাটিতেও সেই একই মানসিকতা নিয়ে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে। ৩০০ কিংবা ৩৫০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে একবারে চিন্তা না করে ছোট ছোট জুটি গড়ে এগোলে বড় রান তাড়া করাও সহজ হবে বলে বিশ্বাস করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
তবে কঠিন পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। পয়েন্ট টেবিলে +৩.১৬০ নেট রানরেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান, অন্যদিকে -১.৯৮০ রানরেট নিয়ে তলানিতে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যদি আজ প্রথমে ব্যাট করে, তবে ফাইনালের সমীকরণ মেলাতে হলে আফগানদের অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে হারাতে হবে। অন্যদিকে আফগানিস্তান যদি প্রথমে ব্যাট করে ৩০১ রানের লক্ষ্য দেয়, তবে বাংলাদেশকে সেই রান তাড়া করতে হবে ৪২.২ ওভারের মধ্যে। লক্ষ্য ২৫১ কিংবা ১০১ রান হলে যথাক্রমে ৪১.৩ ও ৩৭.২ ওভারের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নিতে হবে হৃদয়দের।
সব মিলিয়ে নেট রানরেট উন্নত করে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে হলে আজ কেবল ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, বরং দল হিসেবে একত্রিত হয়ে মাঠে সেরা পারফরম্যান্স উজোড় করে দিতে হবে বাংলাদেশকে। ভক্তদের প্রত্যাশা, সব চাপ সামলে আফগান বাধা টপকে রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়াবে টাইগাররা।
বিষয় : খেলা বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্রিকেট

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিত পরাজয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাকফুটে চলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে টুর্নামেন্টের অন্যতম পরাশক্তি ও র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকা আফগানিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়রা। তবে সমীকরণ বলছে, কেবল আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাধারণ জয় পেলেই ফাইনালের টিকিট মিলবে না, পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে থাকতে হলে লাল-সবুজের প্রতিনিধিকে জিততে হবে বিশাল ব্যবধানে।
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড কিংবা পাকিস্তানের মতো পরাশক্তিদের বিপক্ষে নিয়মিত সাফল্য পেলেও বিদেশের মাটিতে বরাবরই খাবি খাচ্ছে বাংলাদেশ। আবুধাবির চেনা উইকেটে জিম্বাবুয়ে যেখানে ২৭১ রান তোলে, সেখানে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস। এমন বাজে পারফরম্যান্স ও লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বারবার ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে বিদেশের মাটিতে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা ও প্রস্তুতির ঘাটতিকে দায়ী করছেন দলের ভেতরকার সংশ্লিষ্টরা।
আফগানদের মুখোমুখি হওয়ার আগে গত মঙ্গলবার আবুধাবিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দলগত মানসিকতা পরিবর্তনের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, দেশের মাঠে দল যেভাবে খেলে, বিদেশের মাটিতেও সেই একই মানসিকতা নিয়ে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে। ৩০০ কিংবা ৩৫০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে একবারে চিন্তা না করে ছোট ছোট জুটি গড়ে এগোলে বড় রান তাড়া করাও সহজ হবে বলে বিশ্বাস করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
তবে কঠিন পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। পয়েন্ট টেবিলে +৩.১৬০ নেট রানরেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান, অন্যদিকে -১.৯৮০ রানরেট নিয়ে তলানিতে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যদি আজ প্রথমে ব্যাট করে, তবে ফাইনালের সমীকরণ মেলাতে হলে আফগানদের অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে হারাতে হবে। অন্যদিকে আফগানিস্তান যদি প্রথমে ব্যাট করে ৩০১ রানের লক্ষ্য দেয়, তবে বাংলাদেশকে সেই রান তাড়া করতে হবে ৪২.২ ওভারের মধ্যে। লক্ষ্য ২৫১ কিংবা ১০১ রান হলে যথাক্রমে ৪১.৩ ও ৩৭.২ ওভারের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নিতে হবে হৃদয়দের।
সব মিলিয়ে নেট রানরেট উন্নত করে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে হলে আজ কেবল ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, বরং দল হিসেবে একত্রিত হয়ে মাঠে সেরা পারফরম্যান্স উজোড় করে দিতে হবে বাংলাদেশকে। ভক্তদের প্রত্যাশা, সব চাপ সামলে আফগান বাধা টপকে রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়াবে টাইগাররা।

আপনার মতামত লিখুন