যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ায় বিশ্ববাজারে ফিরছে ইরানের বিপুল পরিমাণ খনিজ তেল। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল তেল নিয়ে সাগরে ভাসমান ট্যাংকারগুলো এখন খালাস ও বিক্রির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সমুদ্রের বিভিন্ন ট্যাংকারে ইরানের ১৭ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল মজুত রয়েছে। এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এই তেল বিক্রিতে আইনি বাধা ছিল। তবে সম্প্রতি এক মাসের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় এখন সেই বিপুল পরিমাণ তেল বাজারে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যদিও অন্য একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি আসপেক্টস এই মজুতের পরিমাণ কিছুটা কম, প্রায় ১৩-১৪ কোটি ব্যারেল বলে জানিয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এই বিপুল পরিমাণ তেল কেনার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে যারা জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাদের জন্য এটি বড় একটি সুযোগ। সাশ্রয়ী মূল্যে এই তেল পাওয়া গেলে দেশগুলোর অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক শোধনাগার উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, ইরানের এই বিশাল মজুত বাজারে আসা সেই সংকট কিছুটা হলেও কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ায় বিশ্ববাজারে ফিরছে ইরানের বিপুল পরিমাণ খনিজ তেল। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল তেল নিয়ে সাগরে ভাসমান ট্যাংকারগুলো এখন খালাস ও বিক্রির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সমুদ্রের বিভিন্ন ট্যাংকারে ইরানের ১৭ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল মজুত রয়েছে। এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এই তেল বিক্রিতে আইনি বাধা ছিল। তবে সম্প্রতি এক মাসের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় এখন সেই বিপুল পরিমাণ তেল বাজারে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যদিও অন্য একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি আসপেক্টস এই মজুতের পরিমাণ কিছুটা কম, প্রায় ১৩-১৪ কোটি ব্যারেল বলে জানিয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এই বিপুল পরিমাণ তেল কেনার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে যারা জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাদের জন্য এটি বড় একটি সুযোগ। সাশ্রয়ী মূল্যে এই তেল পাওয়া গেলে দেশগুলোর অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক শোধনাগার উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, ইরানের এই বিশাল মজুত বাজারে আসা সেই সংকট কিছুটা হলেও কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন