সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন খাত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত এই দেশ পুনর্গঠনে সময়ের প্রয়োজন। বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চায়, দেশের জন্য কাজ করতে চায়।
উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, এই অঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, উত্তরাঞ্চলে কৃষি সংক্রান্ত মিল-কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপরই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আবারও জোর দিয়ে বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন খাত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত এই দেশ পুনর্গঠনে সময়ের প্রয়োজন। বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চায়, দেশের জন্য কাজ করতে চায়।
উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, এই অঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, উত্তরাঞ্চলে কৃষি সংক্রান্ত মিল-কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপরই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আবারও জোর দিয়ে বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন