আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী খালের পাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন।
খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাল কাটা জরুরি। দেশের সব খাল ভরাট হয়ে গেছে। বর্ষার পানিটাকে আমরা কৃষিকাজে ব্যবহার করতে চাই যাতে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা পানির অভাবে না ভোগেন। আগামী ৫ বছরে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সাহাপাড়া খালটির দৈর্ঘ্য ১২.২ কিলোমিটার। এই খালটি পুনঃখননের ফলে প্রায় ৩১ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন এবং প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিকটন অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে।
তারেক রহমান কৃষকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সরকার গঠনের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে সব কৃষকের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৭ হাজার পরিবারের কাছে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী উত্তরাঞ্চলকে কৃষিপ্রধান এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যাতে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হয়। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার হচ্ছে কৃষকের বন্ধু। কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী বিকেলের কর্মসূচিতে দিনাজপুরের ফরিদপুর কবরস্থানে নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত এবং গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নেবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী খালের পাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন।
খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাল কাটা জরুরি। দেশের সব খাল ভরাট হয়ে গেছে। বর্ষার পানিটাকে আমরা কৃষিকাজে ব্যবহার করতে চাই যাতে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা পানির অভাবে না ভোগেন। আগামী ৫ বছরে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সাহাপাড়া খালটির দৈর্ঘ্য ১২.২ কিলোমিটার। এই খালটি পুনঃখননের ফলে প্রায় ৩১ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন এবং প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিকটন অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে।
তারেক রহমান কৃষকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সরকার গঠনের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে সব কৃষকের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৭ হাজার পরিবারের কাছে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী উত্তরাঞ্চলকে কৃষিপ্রধান এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যাতে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হয়। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার হচ্ছে কৃষকের বন্ধু। কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী বিকেলের কর্মসূচিতে দিনাজপুরের ফরিদপুর কবরস্থানে নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত এবং গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নেবেন।

আপনার মতামত লিখুন