কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় প্রায় ৩২ টন পেঁয়াজবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার ১৩ হাজার ১৯৩ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হলেও এর মধ্যে ৪৩ হেক্টর জমিতে বিশেষভাবে বীজের আবাদ করা হয়েছে। উন্নত ফলন নিশ্চিত করতে কৃষি বিভাগ থেকে ১৪ হেক্টর জমির জন্য কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনাও দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক পদ্ধতিতে পেঁয়াজবীজ চাষ বেশ ব্যয়বহুল। প্রতি বিঘা জমিতে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ হলেও লাভের পাল্লা অনেক ভারী।
কৃষক বাকের মুন্সি জানান, সনাতন পদ্ধতির তুলনায় আধুনিক পদ্ধতিতে বীজ উৎপাদন প্রায় দেড় গুণ বেশি হয় এবং বাজারে এর চাহিদাও অনেক।
পেঁয়াজবীজ উৎপাদনে পরাগায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাষি রহমত আলী জানান, মৌমাছির সংখ্যা কম থাকলে ভালো বীজের জন্য প্রতিদিন কৃত্রিম উপায়ে ফুলের পরাগায়ন করতে হয়। টানা প্রায় ১০ দিন এই পরিশ্রম করতে হয়, যাতে প্রতিটি ফুল থেকে সুস্থ-সবল বীজ পাওয়া যায়।
পেঁয়াজ ফুলের মৌসুমে মাগুরার এই মাঠগুলো এখন পর্যটন কেন্দ্রের মতো হয়ে উঠেছে। সাদা ফুলের সমারোহ দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। অনেক নতুন কৃষকও উদ্বুদ্ধ হয়ে এই লাভজনক চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে মাঠে আসছেন।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তাইজুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে রয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি এ বছর বীজের বাম্পার ফলন হবে এবং কৃষকেরা অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় প্রায় ৩২ টন পেঁয়াজবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার ১৩ হাজার ১৯৩ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হলেও এর মধ্যে ৪৩ হেক্টর জমিতে বিশেষভাবে বীজের আবাদ করা হয়েছে। উন্নত ফলন নিশ্চিত করতে কৃষি বিভাগ থেকে ১৪ হেক্টর জমির জন্য কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনাও দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক পদ্ধতিতে পেঁয়াজবীজ চাষ বেশ ব্যয়বহুল। প্রতি বিঘা জমিতে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ হলেও লাভের পাল্লা অনেক ভারী।
কৃষক বাকের মুন্সি জানান, সনাতন পদ্ধতির তুলনায় আধুনিক পদ্ধতিতে বীজ উৎপাদন প্রায় দেড় গুণ বেশি হয় এবং বাজারে এর চাহিদাও অনেক।
পেঁয়াজবীজ উৎপাদনে পরাগায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাষি রহমত আলী জানান, মৌমাছির সংখ্যা কম থাকলে ভালো বীজের জন্য প্রতিদিন কৃত্রিম উপায়ে ফুলের পরাগায়ন করতে হয়। টানা প্রায় ১০ দিন এই পরিশ্রম করতে হয়, যাতে প্রতিটি ফুল থেকে সুস্থ-সবল বীজ পাওয়া যায়।
পেঁয়াজ ফুলের মৌসুমে মাগুরার এই মাঠগুলো এখন পর্যটন কেন্দ্রের মতো হয়ে উঠেছে। সাদা ফুলের সমারোহ দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। অনেক নতুন কৃষকও উদ্বুদ্ধ হয়ে এই লাভজনক চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে মাঠে আসছেন।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তাইজুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে রয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি এ বছর বীজের বাম্পার ফলন হবে এবং কৃষকেরা অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হবেন।

আপনার মতামত লিখুন