কলম্বিয়ার আমাজন অঞ্চলে উড্ডয়নের পরপরই বিমানবাহিনীর একটি বিশালাকার সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন সেনাসদস্য। দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুর্ঘটনার বিবরণ কলম্বিয়ার পুতুমায়ো প্রদেশের প্রত্যন্ত পুয়ের্তো লেগুইজামো পৌরসভায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানবাহিনীর কমান্ডার কার্লোস ফার্নান্দো সিলভা রুয়েদা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি সি-১৩০ হারকিউলিস মডেলের ওই উড়োজাহাজটিতে ১১৪ জন সেনাসদস্য এবং ১১ জন ক্রু ছিলেন। উড্ডয়নস্থল থেকে মাত্র ১.৫ কিলোমিটার দূরে বিধ্বস্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং ভেতরে থাকা গোলাবারুদ বিস্ফোরিত হয়।
নিহতের সংখ্যা ও উদ্ধার অভিযান সামরিক সূত্র অনুযায়ী, নিহত ৬৬ জনের মধ্যে ৫৮ জন সেনাসদস্য, ৬ জন বিমানবাহিনীর সদস্য এবং ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মোটরবাইকের মাধ্যমে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী বোগোতায় স্থানান্তরের লক্ষ্যে ৭৪টি শয্যা সংবলিত দুটি বিশেষ উড়োজাহাজ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘটনাকে দেশের জন্য গভীর বেদনাদায়ক বলে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, কোনো অবৈধ গোষ্ঠীর হামলার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, দেশটির প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই দুর্ঘটনার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সরঞ্জাম আধুনিকায়নের পথে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটা উচিত ছিল না। আমি আর কোনো দেরি বরদাশত করব না, আমাদের তরুণদের জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসেও প্রতিবেশী দেশ বলিভিয়ায় একই মডেলের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। কলম্বিয়ার ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
কলম্বিয়ার আমাজন অঞ্চলে উড্ডয়নের পরপরই বিমানবাহিনীর একটি বিশালাকার সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন সেনাসদস্য। দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুর্ঘটনার বিবরণ কলম্বিয়ার পুতুমায়ো প্রদেশের প্রত্যন্ত পুয়ের্তো লেগুইজামো পৌরসভায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানবাহিনীর কমান্ডার কার্লোস ফার্নান্দো সিলভা রুয়েদা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি সি-১৩০ হারকিউলিস মডেলের ওই উড়োজাহাজটিতে ১১৪ জন সেনাসদস্য এবং ১১ জন ক্রু ছিলেন। উড্ডয়নস্থল থেকে মাত্র ১.৫ কিলোমিটার দূরে বিধ্বস্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং ভেতরে থাকা গোলাবারুদ বিস্ফোরিত হয়।
নিহতের সংখ্যা ও উদ্ধার অভিযান সামরিক সূত্র অনুযায়ী, নিহত ৬৬ জনের মধ্যে ৫৮ জন সেনাসদস্য, ৬ জন বিমানবাহিনীর সদস্য এবং ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মোটরবাইকের মাধ্যমে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী বোগোতায় স্থানান্তরের লক্ষ্যে ৭৪টি শয্যা সংবলিত দুটি বিশেষ উড়োজাহাজ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘটনাকে দেশের জন্য গভীর বেদনাদায়ক বলে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, কোনো অবৈধ গোষ্ঠীর হামলার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, দেশটির প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই দুর্ঘটনার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সরঞ্জাম আধুনিকায়নের পথে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটা উচিত ছিল না। আমি আর কোনো দেরি বরদাশত করব না, আমাদের তরুণদের জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসেও প্রতিবেশী দেশ বলিভিয়ায় একই মডেলের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। কলম্বিয়ার ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন