গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক পুলিশ সদস্যের বাসায় সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চোরচক্র বাড়ির ছাদের টিন কেটে এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য মো. রিপন মোল্যা, যিনি রাজবাড়ীর কালুখালি থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে, উপজেলার সন্ধ্যা বাজার এলাকায়।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী জানান, ঈদ উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার তিনি শ্বশুরবাড়িতে চলে যাওয়ায় বাড়িটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চোরেরা পেছন দিক দিয়ে ছাদে উঠে টিন কেটে ঘরে ঢোকে এবং পরে দরজা ভেঙে নির্বিঘ্নে চুরি সংঘটিত করে।
চুরির ঘটনায় প্রায় ৯ ভরি ৩ আনা স্বর্ণালংকার, ১২ ভরি ৮ আনা রুপা, নগদ ২৬ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান ইলেকট্রনিক সামগ্রী খোয়া গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাত ১টা থেকে ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের মধ্যে কোনো এক সময়ে চুরির ঘটনাটি ঘটেছে।
এদিকে, কাশিয়ানী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে। তাদের অভিযোগ, নিয়মিত পুলিশ টহলের অভাবে চোরচক্র আরও সক্রিয় হয়ে উঠছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা আহসান হাবীব দুলাল বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে একের পর এক চুরির ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে আছি। রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছি না। বিশেষ করে নতুন ও ভাড়াটিয়া বাসাগুলো বেশি টার্গেট হচ্ছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং টহল জোরদার করা প্রয়োজন।”
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক পুলিশ সদস্যের বাসায় সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চোরচক্র বাড়ির ছাদের টিন কেটে এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য মো. রিপন মোল্যা, যিনি রাজবাড়ীর কালুখালি থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে, উপজেলার সন্ধ্যা বাজার এলাকায়।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী জানান, ঈদ উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার তিনি শ্বশুরবাড়িতে চলে যাওয়ায় বাড়িটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চোরেরা পেছন দিক দিয়ে ছাদে উঠে টিন কেটে ঘরে ঢোকে এবং পরে দরজা ভেঙে নির্বিঘ্নে চুরি সংঘটিত করে।
চুরির ঘটনায় প্রায় ৯ ভরি ৩ আনা স্বর্ণালংকার, ১২ ভরি ৮ আনা রুপা, নগদ ২৬ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান ইলেকট্রনিক সামগ্রী খোয়া গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাত ১টা থেকে ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের মধ্যে কোনো এক সময়ে চুরির ঘটনাটি ঘটেছে।
এদিকে, কাশিয়ানী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয়দের মধ্যে। তাদের অভিযোগ, নিয়মিত পুলিশ টহলের অভাবে চোরচক্র আরও সক্রিয় হয়ে উঠছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা আহসান হাবীব দুলাল বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে একের পর এক চুরির ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে আছি। রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছি না। বিশেষ করে নতুন ও ভাড়াটিয়া বাসাগুলো বেশি টার্গেট হচ্ছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং টহল জোরদার করা প্রয়োজন।”
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন