গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার একজন সুপরিচিত সমাজসেবী ও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য কানন বালা ঠাকুর আর নেই। তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নির্বাহী সদস্য ও উজানী ইউনিয়নের টিকারডাংগা গ্রামের প্রয়াত নেতা কার্তিক চন্দ্র ঠাকুরের সহধর্মিণী এবং মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির নেতা রানা ঠাকুরের মা।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) দুপুর ২টা ৫৬ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
কানন বালা ঠাকুর ১৯৫০ সালের ১১ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের আচার পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন স্নেহশীলা, পরোপকারী ও দায়িত্বশীল একজন মানুষ। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবারে বিবাহিত জীবনে প্রবেশের পর তিনি আরও বেশি করে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন।
তার স্বামী কার্তিক চন্দ্র ঠাকুর সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায়, পরিবারের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহযোগিতা করা এবং মানবিক মূল্যবোধকে লালন করাই ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদামাটা, ধর্মপ্রাণ ও মানবিক গুণাবলিতে ভরপুর একজন নারী। তাঁর আচরণ, সহমর্মিতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় করে তুলেছিল।
মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও সাত কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কানন বালা ঠাকুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, কানন বালা ঠাকুরের মতো মানবিক ও সমাজকল্যাণে নিবেদিত একজন ব্যক্তিত্বের চলে যাওয়া সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কর্ম ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার একজন সুপরিচিত সমাজসেবী ও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য কানন বালা ঠাকুর আর নেই। তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নির্বাহী সদস্য ও উজানী ইউনিয়নের টিকারডাংগা গ্রামের প্রয়াত নেতা কার্তিক চন্দ্র ঠাকুরের সহধর্মিণী এবং মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির নেতা রানা ঠাকুরের মা।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) দুপুর ২টা ৫৬ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
কানন বালা ঠাকুর ১৯৫০ সালের ১১ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের আচার পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন স্নেহশীলা, পরোপকারী ও দায়িত্বশীল একজন মানুষ। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবারে বিবাহিত জীবনে প্রবেশের পর তিনি আরও বেশি করে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন।
তার স্বামী কার্তিক চন্দ্র ঠাকুর সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায়, পরিবারের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহযোগিতা করা এবং মানবিক মূল্যবোধকে লালন করাই ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদামাটা, ধর্মপ্রাণ ও মানবিক গুণাবলিতে ভরপুর একজন নারী। তাঁর আচরণ, সহমর্মিতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় করে তুলেছিল।
মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও সাত কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কানন বালা ঠাকুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, কানন বালা ঠাকুরের মতো মানবিক ও সমাজকল্যাণে নিবেদিত একজন ব্যক্তিত্বের চলে যাওয়া সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কর্ম ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন