স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দুই ছেলেকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর জন্য অপেক্ষা করছিলেন গৃহিণী আসমা বেগম। তিনি জানান, ছেলেদের স্কুল ও কোচিং ছুটি হয়ে যাওয়ায় আর দেরি করতে চাননি। তিনি বলেন, “ঈদের ঠিক আগে ভিড় অনেক বেড়ে যায়, বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্টকর হয়। তাই টিকিট পাওয়ামাত্রই রওনা দিলাম।”
একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের মাঝেও। ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষায় থাকা ব্যবসায়ী ইউনুস আলী বলেন, “রাস্তার যানজটের ভয়ে হাতে সময় নিয়ে স্টেশনে এসেছি। এখন পর্যন্ত ট্রেনের সূচি ঠিক থাকায় ভালো লাগছে।”
স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড়ের মাঝে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে শিশুদের উচ্ছ্বাস। মাদ্রাসার একদল শিক্ষার্থীকে প্ল্যাটফর্মে আনন্দে মেতে থাকতে দেখা যায়। তাদের অভিভাবক মূসা আল হাবিব জানান, মাদ্রাসা ছুটি হওয়ায় তারা সবাই মিলে গ্রামে যাচ্ছে। আত্মীয়-স্বজন ও শিশুদের এমন দলবদ্ধ যাত্রা ঈদ আনন্দের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
কমলাপুর রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো শিডিউল বিপর্যয় ঘটেনি। অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ত্যাগ করেছে। তবে ব্যতিক্রম ছিল চট্টগ্রামগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’। ট্রেনটি বেলা ২টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও কারিগরি কারণে বেলা ৩টার দিকে স্টেশন ছাড়ে।
যাত্রীচাপ বাড়ায় কিছু কিছু ট্রেনের বগিতে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদেরও ভিড় দেখা গেছে। তবে সার্বিকভাবে রেলওয়ের ব্যবস্থাপনা ও সময়ানুবর্তিতায় এখন পর্যন্ত যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দুই ছেলেকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর জন্য অপেক্ষা করছিলেন গৃহিণী আসমা বেগম। তিনি জানান, ছেলেদের স্কুল ও কোচিং ছুটি হয়ে যাওয়ায় আর দেরি করতে চাননি। তিনি বলেন, “ঈদের ঠিক আগে ভিড় অনেক বেড়ে যায়, বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্টকর হয়। তাই টিকিট পাওয়ামাত্রই রওনা দিলাম।”
একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের মাঝেও। ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষায় থাকা ব্যবসায়ী ইউনুস আলী বলেন, “রাস্তার যানজটের ভয়ে হাতে সময় নিয়ে স্টেশনে এসেছি। এখন পর্যন্ত ট্রেনের সূচি ঠিক থাকায় ভালো লাগছে।”
স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড়ের মাঝে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে শিশুদের উচ্ছ্বাস। মাদ্রাসার একদল শিক্ষার্থীকে প্ল্যাটফর্মে আনন্দে মেতে থাকতে দেখা যায়। তাদের অভিভাবক মূসা আল হাবিব জানান, মাদ্রাসা ছুটি হওয়ায় তারা সবাই মিলে গ্রামে যাচ্ছে। আত্মীয়-স্বজন ও শিশুদের এমন দলবদ্ধ যাত্রা ঈদ আনন্দের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
কমলাপুর রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো শিডিউল বিপর্যয় ঘটেনি। অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ত্যাগ করেছে। তবে ব্যতিক্রম ছিল চট্টগ্রামগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’। ট্রেনটি বেলা ২টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও কারিগরি কারণে বেলা ৩টার দিকে স্টেশন ছাড়ে।
যাত্রীচাপ বাড়ায় কিছু কিছু ট্রেনের বগিতে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদেরও ভিড় দেখা গেছে। তবে সার্বিকভাবে রেলওয়ের ব্যবস্থাপনা ও সময়ানুবর্তিতায় এখন পর্যন্ত যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন