মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ‘শত্রু’ বিবেচিত দেশগুলোতে ক্রীড়া দল পাঠানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যখন সৌদি আরব–এ ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত–এর দুটি ক্লাবের মধ্যকার একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান–এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রায় এক মাস পর এই সিদ্ধান্ত এলো।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ–এর বরাতে জানানো হয়েছে, দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে—যেসব দেশ ইরানের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এবং ইরানি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, সেসব দেশে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বা ক্লাব দল অংশ নিতে পারবে না।
এই সিদ্ধান্ত মূলত এশিয়ার শীর্ষ ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগ–এ ট্রাক্টর এফসি–এর একটি ম্যাচকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে। ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল সৌদি আরবে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি ক্লাব। ইরান জানিয়েছে, তাদের ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোকে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন–কে বিষয়টি জানাতে হবে, যাতে ম্যাচটি অন্য দেশে আয়োজন করা যায়।
এই ঘোষণা এসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা–এ অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। ইতোমধ্যে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইরান। সূচি অনুযায়ী ‘জি’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসর।
এদিকে চলতি মাসে নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ইরানের নারী ফুটবল দলের ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন স্টাফ অস্ট্রেলিয়া–এ রাজনৈতিক আশ্রয় চান। তেহরান তাঁদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দেয়। পরে তাঁদের মধ্যে পাঁচজন দেশে ফিরে এলেও বাকি দুজন এখনো অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ‘শত্রু’ বিবেচিত দেশগুলোতে ক্রীড়া দল পাঠানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যখন সৌদি আরব–এ ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত–এর দুটি ক্লাবের মধ্যকার একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান–এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রায় এক মাস পর এই সিদ্ধান্ত এলো।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ–এর বরাতে জানানো হয়েছে, দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে—যেসব দেশ ইরানের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এবং ইরানি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, সেসব দেশে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বা ক্লাব দল অংশ নিতে পারবে না।
এই সিদ্ধান্ত মূলত এশিয়ার শীর্ষ ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগ–এ ট্রাক্টর এফসি–এর একটি ম্যাচকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে। ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল সৌদি আরবে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি ক্লাব। ইরান জানিয়েছে, তাদের ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোকে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন–কে বিষয়টি জানাতে হবে, যাতে ম্যাচটি অন্য দেশে আয়োজন করা যায়।
এই ঘোষণা এসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা–এ অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। ইতোমধ্যে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইরান। সূচি অনুযায়ী ‘জি’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসর।
এদিকে চলতি মাসে নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ইরানের নারী ফুটবল দলের ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন স্টাফ অস্ট্রেলিয়া–এ রাজনৈতিক আশ্রয় চান। তেহরান তাঁদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দেয়। পরে তাঁদের মধ্যে পাঁচজন দেশে ফিরে এলেও বাকি দুজন এখনো অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

আপনার মতামত লিখুন