প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমালোচনা, আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা উচিত নয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে ছোট করে দেখায়।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভার আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকার জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, “আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। স্বাদ এবং সাধ্যের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও একজন নাগরিক এবং রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, দেশের জন্য সকলে একসাথে উদ্যোগী হই, তবে আমরা অবশ্যই স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
দলের নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই স্বাধীনতা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—সমাজের একটি অংশ হিসেবে নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে এই দেশে ভালো থাকা নিশ্চিত করা। প্রত্যেকে একসঙ্গে সহ-অবস্থানের মাধ্যমে খারাপকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করব—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার, প্রত্যাশা ও প্রতিজ্ঞা।”
সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আপনাদেরই সরকার। এটি দেশের মানুষের নির্বাচিত সরকার এবং প্রতিষ্ঠিত সরকার। সরকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ ও কর্মসংস্থানের মতো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জনগণের জীবনমান উন্নয়নে প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রম করা হচ্ছে।”
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তারেক রহমান বলেন, “তৎকালীন বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনী ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের জনগণ বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা স্বাভাবিক। তবে কোনো আলোচনা বা গবেষণার নামে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করা চলবে না।”

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমালোচনা, আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা উচিত নয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে ছোট করে দেখায়।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভার আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকার জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, “আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। স্বাদ এবং সাধ্যের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও একজন নাগরিক এবং রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, দেশের জন্য সকলে একসাথে উদ্যোগী হই, তবে আমরা অবশ্যই স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
দলের নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই স্বাধীনতা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—সমাজের একটি অংশ হিসেবে নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে এই দেশে ভালো থাকা নিশ্চিত করা। প্রত্যেকে একসঙ্গে সহ-অবস্থানের মাধ্যমে খারাপকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করব—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার, প্রত্যাশা ও প্রতিজ্ঞা।”
সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আপনাদেরই সরকার। এটি দেশের মানুষের নির্বাচিত সরকার এবং প্রতিষ্ঠিত সরকার। সরকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ ও কর্মসংস্থানের মতো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জনগণের জীবনমান উন্নয়নে প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রম করা হচ্ছে।”
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তারেক রহমান বলেন, “তৎকালীন বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনী ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের জনগণ বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা স্বাভাবিক। তবে কোনো আলোচনা বা গবেষণার নামে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করা চলবে না।”

আপনার মতামত লিখুন