দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছিল যা জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তদন্তে দেখা গেছে, এসব ভিডিওর অনেকগুলোই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওগুলোতে ভুয়া বিস্ফোরণ, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হামলা প্রতিরোধের দৃশ্য এবং বিদেশের কোনো ঘটনাকে আরব আমিরাতের বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি কিছু ভিডিওতে শিশুদের ব্যবহার করে আবেগীয়ভাবে নিরাপত্তা ভীতি ছড়ানোর চেষ্টাও করা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ আল সামছি গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে জরুরি বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ডিজিটাল মাধ্যম বা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো বা দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বিপন্ন করার কোনো প্রচেষ্টা সহ্য করা হবে না। অভিযুক্তদের এরই মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাদের কারাগারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ১০ জন নাগরিকের মধ্যে রয়েছেন:
দেশটির আইনি বিশেষজ্ঞরা প্রবাসীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে সংঘাতকালীন সময়ে কোনো প্রকার যাচাই না করে সেনসিটিভ ভিডিও বা তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আমিরাতের সাইবার আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী কোনো মিথ্যা তথ্য ছড়ানো গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছিল যা জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তদন্তে দেখা গেছে, এসব ভিডিওর অনেকগুলোই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওগুলোতে ভুয়া বিস্ফোরণ, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হামলা প্রতিরোধের দৃশ্য এবং বিদেশের কোনো ঘটনাকে আরব আমিরাতের বলে দাবি করা হয়েছে। এমনকি কিছু ভিডিওতে শিশুদের ব্যবহার করে আবেগীয়ভাবে নিরাপত্তা ভীতি ছড়ানোর চেষ্টাও করা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ আল সামছি গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে জরুরি বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ডিজিটাল মাধ্যম বা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো বা দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বিপন্ন করার কোনো প্রচেষ্টা সহ্য করা হবে না। অভিযুক্তদের এরই মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাদের কারাগারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ১০ জন নাগরিকের মধ্যে রয়েছেন:
দেশটির আইনি বিশেষজ্ঞরা প্রবাসীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে সংঘাতকালীন সময়ে কোনো প্রকার যাচাই না করে সেনসিটিভ ভিডিও বা তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আমিরাতের সাইবার আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী কোনো মিথ্যা তথ্য ছড়ানো গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

আপনার মতামত লিখুন