খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ইমারত শেখের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ অবশেষে প্রত্যাহার করেছেন অভিযোগকারী ইমরান শেখ।
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ৪নং খান্দারপাড়া ইউনিয়নের গোপ্তরগাতী গ্রামের বাসিন্দা ইমরান শেখ (৪৩) গত ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মুকসুদপুর থানায় প্যানেল চেয়ারম্যান ইমারত শেখের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগের বিষয়টি ভিডিও আকারে প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে দেন।
পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করে ইমরান শেখ স্বেচ্ছায় এবং কোনো প্রকার চাপ বা ভয়ভীতি ছাড়াই গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন।
এছাড়াও, অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি তিনি মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ইমারত শেখের বিরুদ্ধে তার আর কোনো অভিযোগ নেই।
এ ঘটনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ইমারত শেখের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ অবশেষে প্রত্যাহার করেছেন অভিযোগকারী ইমরান শেখ।
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ৪নং খান্দারপাড়া ইউনিয়নের গোপ্তরগাতী গ্রামের বাসিন্দা ইমরান শেখ (৪৩) গত ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মুকসুদপুর থানায় প্যানেল চেয়ারম্যান ইমারত শেখের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগের বিষয়টি ভিডিও আকারে প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে দেন।
পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করে ইমরান শেখ স্বেচ্ছায় এবং কোনো প্রকার চাপ বা ভয়ভীতি ছাড়াই গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন।
এছাড়াও, অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি তিনি মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ইমারত শেখের বিরুদ্ধে তার আর কোনো অভিযোগ নেই।
এ ঘটনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন