বাংলাদেশের খাবারের জগতে দিন দিন বাড়ছে ভিন্নধর্মী ও ঐতিহ্যবাহী পদগুলোর চাহিদা। সেই তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে “রাজ হান্ডি গোশত”—একটি সমৃদ্ধ, মশলাদার এবং ধীরে রান্না করা মাংসের পদ, যা ইতোমধ্যে খাবারপ্রেমীদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
রাজ হান্ডি গোস্ত (Raj Handi Goshto) বর্তমানে ঢাকার বনশ্রী এবং কুষ্টিয়ায় শাখা পরিচালনা করছে। এটি মূলত বনশ্রীর ব্লক এ-তে অবস্থিত এবং কুষ্টিয়াতেও তাদের শাখা। এটি দিল্লির ১৪ বছরের পুরোনো রেসিপি অনুসরণ করে হান্ডি গোস্ত বা মাটির হাঁড়ির মাংসের জন্য পরিচিত।
রাজ হান্ডি গোশতের উৎপত্তি মূলত উপমহাদেশের পুরনো রাজকীয় রান্না থেকে। মাটির হান্ডিতে ধীরে ধীরে রান্না করার কারণে মাংস নরম ও রসালো হয়, আর মসলার গাঢ় স্বাদ মাংসের ভেতর পর্যন্ত প্রবেশ করে। এই রান্না পদ্ধতি একসময় রাজপরিবার ও অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা সাধারণ মানুষের কাছেও সহজলভ্য।
এই খাবারের মূল আকর্ষণ হলো এর রান্নার প্রক্রিয়া। খাসি বা গরুর মাংস দই, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, গরম মসলা ও বিভিন্ন সুগন্ধি উপাদান দিয়ে মেরিনেট করে দীর্ঘ সময় ধরে মাটির হান্ডিতে রান্না করা হয়। আগুনের তাপমাত্রা কম রেখে ধীরে ধীরে রান্না করার ফলে খাবারে এক ধরনের স্মোকি ফ্লেভার তৈরি হয়, যা অন্য রান্না থেকে একে আলাদা করে।
প্রিয়জনের মন জয় করতে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ঢাকার বনশ্রীর এ ব্লকের রাজ হান্ডি গোশতে।
বিশেষ করে উৎসব, পারিবারিক আয়োজন এবং দাওয়াতে এই পদটি পরিবেশন করলে অতিথিদের মাঝে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
খাবারপ্রেমীদের মতে, রাজ হান্ডি গোশতের স্বাদে রয়েছে ভিন্নতা ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া। অনেকেই বলছেন, এটি শুধু একটি খাবার নয়, বরং একটি অভিজ্ঞতা—যেখানে প্রতিটি লোকমায় পাওয়া যায় মসলার গভীরতা ও মাংসের কোমলতা।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো মাংসজাত খাবারের মতোই রাজ হান্ডি গোশতও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত মসলা ও তেল ব্যবহারের কারণে এটি ভারী খাবার হতে পারে, তাই নিয়ম মেনে খাওয়াই উত্তম।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের খাবারের জগতে দিন দিন বাড়ছে ভিন্নধর্মী ও ঐতিহ্যবাহী পদগুলোর চাহিদা। সেই তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে “রাজ হান্ডি গোশত”—একটি সমৃদ্ধ, মশলাদার এবং ধীরে রান্না করা মাংসের পদ, যা ইতোমধ্যে খাবারপ্রেমীদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
রাজ হান্ডি গোস্ত (Raj Handi Goshto) বর্তমানে ঢাকার বনশ্রী এবং কুষ্টিয়ায় শাখা পরিচালনা করছে। এটি মূলত বনশ্রীর ব্লক এ-তে অবস্থিত এবং কুষ্টিয়াতেও তাদের শাখা। এটি দিল্লির ১৪ বছরের পুরোনো রেসিপি অনুসরণ করে হান্ডি গোস্ত বা মাটির হাঁড়ির মাংসের জন্য পরিচিত।
রাজ হান্ডি গোশতের উৎপত্তি মূলত উপমহাদেশের পুরনো রাজকীয় রান্না থেকে। মাটির হান্ডিতে ধীরে ধীরে রান্না করার কারণে মাংস নরম ও রসালো হয়, আর মসলার গাঢ় স্বাদ মাংসের ভেতর পর্যন্ত প্রবেশ করে। এই রান্না পদ্ধতি একসময় রাজপরিবার ও অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা সাধারণ মানুষের কাছেও সহজলভ্য।
এই খাবারের মূল আকর্ষণ হলো এর রান্নার প্রক্রিয়া। খাসি বা গরুর মাংস দই, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, গরম মসলা ও বিভিন্ন সুগন্ধি উপাদান দিয়ে মেরিনেট করে দীর্ঘ সময় ধরে মাটির হান্ডিতে রান্না করা হয়। আগুনের তাপমাত্রা কম রেখে ধীরে ধীরে রান্না করার ফলে খাবারে এক ধরনের স্মোকি ফ্লেভার তৈরি হয়, যা অন্য রান্না থেকে একে আলাদা করে।
প্রিয়জনের মন জয় করতে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ঢাকার বনশ্রীর এ ব্লকের রাজ হান্ডি গোশতে।
বিশেষ করে উৎসব, পারিবারিক আয়োজন এবং দাওয়াতে এই পদটি পরিবেশন করলে অতিথিদের মাঝে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
খাবারপ্রেমীদের মতে, রাজ হান্ডি গোশতের স্বাদে রয়েছে ভিন্নতা ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া। অনেকেই বলছেন, এটি শুধু একটি খাবার নয়, বরং একটি অভিজ্ঞতা—যেখানে প্রতিটি লোকমায় পাওয়া যায় মসলার গভীরতা ও মাংসের কোমলতা।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো মাংসজাত খাবারের মতোই রাজ হান্ডি গোশতও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত মসলা ও তেল ব্যবহারের কারণে এটি ভারী খাবার হতে পারে, তাই নিয়ম মেনে খাওয়াই উত্তম।

আপনার মতামত লিখুন