ভাটফুল কোনো বিশেষ যত্ন ছাড়াই প্রকৃতির আপন নিয়মে বেড়ে ওঠে। রাজস্থলীর বিভিন্ন পতিত জমি ও বনাঞ্চলের পাশে এখন এই ফুলের সমারোহ। বসন্তের শেষ ভাগ থেকে গ্রীষ্মের শুরুতে এই ফুলের সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে। সকালের শিশিরভেজা আলো কিংবা বিকেলের নরম রোদে ভাটফুলের সাদা পাপড়িগুলো পাহাড়ের রুক্ষতাকে যেন মায়াবী এক রূপ দান করেছে।
ভাটফুলে বাড়ছে রাজস্থলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ছবি : দৈনিক নতুন আলো
রাজস্থলীর বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছর এই সময়ে ভাটফুল ফুটলে চারপাশের পরিবেশে এক ধরনের প্রশান্তি নেমে আসে। কাজের ফাঁকে বা ভ্রমণে বেরিয়ে মানুষ ক্ষণিকের জন্য থমকে দাঁড়ান এই বুনো ফুলের টানে। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ভাটফুল আমাদের পাহাড়ের খুব পরিচিত একটি ফুল। যখন এগুলো একসঙ্গে ফোটে, মনে হয় পুরো পাহাড় যেন সাদা চাদরে ঢাকা পড়েছে। এই দৃশ্য সত্যিই মন ভালো করে দেয়।
উদ্ভিদবিদদের মতে, ভাটগাছ গ্রামবাংলার জীববৈচিত্র্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই বুনো উদ্ভিদের ভূমিকা রয়েছে। লোকজ চিকিৎসাতেও ভাটগাছের ব্যবহারের কথা জানা যায়, যদিও আধুনিক যুগে সেই চর্চা অনেকটাই কমে এসেছে।
স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীরা মনে করেন, পাহাড়ের এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় অপরিকল্পিতভাবে ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে গিয়ে এসব বুনো ফুল নষ্ট করে ফেলা হয়। তাদের মতে, ভাটফুলের মতো বুনো উদ্ভিদগুলোই রাজস্থলীর প্রকৃতিকে অনন্য ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাই এগুলো সংরক্ষণ করা গেলে পাহাড়ের পর্যটন ও প্রাকৃতিক আবেদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
ভাটফুল কোনো বিশেষ যত্ন ছাড়াই প্রকৃতির আপন নিয়মে বেড়ে ওঠে। রাজস্থলীর বিভিন্ন পতিত জমি ও বনাঞ্চলের পাশে এখন এই ফুলের সমারোহ। বসন্তের শেষ ভাগ থেকে গ্রীষ্মের শুরুতে এই ফুলের সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে। সকালের শিশিরভেজা আলো কিংবা বিকেলের নরম রোদে ভাটফুলের সাদা পাপড়িগুলো পাহাড়ের রুক্ষতাকে যেন মায়াবী এক রূপ দান করেছে।
ভাটফুলে বাড়ছে রাজস্থলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ছবি : দৈনিক নতুন আলো
রাজস্থলীর বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছর এই সময়ে ভাটফুল ফুটলে চারপাশের পরিবেশে এক ধরনের প্রশান্তি নেমে আসে। কাজের ফাঁকে বা ভ্রমণে বেরিয়ে মানুষ ক্ষণিকের জন্য থমকে দাঁড়ান এই বুনো ফুলের টানে। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ভাটফুল আমাদের পাহাড়ের খুব পরিচিত একটি ফুল। যখন এগুলো একসঙ্গে ফোটে, মনে হয় পুরো পাহাড় যেন সাদা চাদরে ঢাকা পড়েছে। এই দৃশ্য সত্যিই মন ভালো করে দেয়।
উদ্ভিদবিদদের মতে, ভাটগাছ গ্রামবাংলার জীববৈচিত্র্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই বুনো উদ্ভিদের ভূমিকা রয়েছে। লোকজ চিকিৎসাতেও ভাটগাছের ব্যবহারের কথা জানা যায়, যদিও আধুনিক যুগে সেই চর্চা অনেকটাই কমে এসেছে।
স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীরা মনে করেন, পাহাড়ের এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় অপরিকল্পিতভাবে ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে গিয়ে এসব বুনো ফুল নষ্ট করে ফেলা হয়। তাদের মতে, ভাটফুলের মতো বুনো উদ্ভিদগুলোই রাজস্থলীর প্রকৃতিকে অনন্য ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাই এগুলো সংরক্ষণ করা গেলে পাহাড়ের পর্যটন ও প্রাকৃতিক আবেদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন