বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২০ সালে দেশে কার্ডের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ। মাত্র ৫ বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালের শেষে এই সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ১৮ লাখে। এর মধ্যে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ৪ কোটি ৩ লাখ এবং ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ২৮ লাখ ৮ হাজার। এছাড়া প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৭ লাখে।
কার্ড সেবায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী:
ডিজিটাল লেনদেনে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এখনো বেশ পিছিয়ে। 'স্ট্যাটিস্টা'-র তথ্যমতে, ১২১টি দেশের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম। যেখানে কানাডার ৮২% মানুষ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে, সেখানে বাংলাদেশে এই হার মাত্র ০.৬২%।
তবে এই চিত্র বদলাতে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও দুর্নীতি রোধে এরই মধ্যে নতুন ট্রেড লাইসেন্স বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর (QR) কোড পেমেন্ট ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান মনে করেন, ক্যাশলেস সোসাইটি গড়তে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, মানুষ এখনো বড় অংকের লেনদেনে নগদে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কালো টাকার উপস্থিতি এবং আন্তঃসংযোগের (Inter-operability) দুর্বলতা কাটাতে সরকারি প্রণোদনা জরুরি।
অন্যদিকে, সিটি ব্যাংকের কার্ড বিভাগের প্রধান তৌহিদুল ইসলাম গ্রাহকদের সচেতন করে বলেন, ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজনীয় আর্থিক উপকরণ হলেও সময়মতো বিল পরিশোধ এবং অপ্রয়োজনে নগদ উত্তোলন এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২০ সালে দেশে কার্ডের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ। মাত্র ৫ বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালের শেষে এই সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ১৮ লাখে। এর মধ্যে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ৪ কোটি ৩ লাখ এবং ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ২৮ লাখ ৮ হাজার। এছাড়া প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৭ লাখে।
কার্ড সেবায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী:
ডিজিটাল লেনদেনে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এখনো বেশ পিছিয়ে। 'স্ট্যাটিস্টা'-র তথ্যমতে, ১২১টি দেশের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম। যেখানে কানাডার ৮২% মানুষ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে, সেখানে বাংলাদেশে এই হার মাত্র ০.৬২%।
তবে এই চিত্র বদলাতে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও দুর্নীতি রোধে এরই মধ্যে নতুন ট্রেড লাইসেন্স বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর (QR) কোড পেমেন্ট ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান মনে করেন, ক্যাশলেস সোসাইটি গড়তে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, মানুষ এখনো বড় অংকের লেনদেনে নগদে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কালো টাকার উপস্থিতি এবং আন্তঃসংযোগের (Inter-operability) দুর্বলতা কাটাতে সরকারি প্রণোদনা জরুরি।
অন্যদিকে, সিটি ব্যাংকের কার্ড বিভাগের প্রধান তৌহিদুল ইসলাম গ্রাহকদের সচেতন করে বলেন, ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজনীয় আর্থিক উপকরণ হলেও সময়মতো বিল পরিশোধ এবং অপ্রয়োজনে নগদ উত্তোলন এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনার মতামত লিখুন