মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.২ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ ছুঁতে পারে: আইএমএফ

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.২ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ ছুঁতে পারে: আইএমএফ

ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপী এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপী এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

বাজারে কমানো হলো সোনা ও রুপার দাম, জেনে নিন নতুন দর

বাজারে কমানো হলো সোনা ও রুপার দাম, জেনে নিন নতুন দর

তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাচ্ছে শনিবার, লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট

তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাচ্ছে শনিবার, লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সেপ্টেম্বরে কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম, বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

সেপ্টেম্বরে কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম, বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

সোনার দামে ফের নতুন রেকর্ড: ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

সোনার দামে ফের নতুন রেকর্ড: ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

মহেশখালীতে ভিড়ল কার্গো, শুরু গ্যাস সরবরাহ: কাটার মুখে তীব্র সংকট

মহেশখালীতে ভিড়ল কার্গো, শুরু গ্যাস সরবরাহ: কাটার মুখে তীব্র সংকট

দোকান খোলার সময় কমিয়ে রাতে বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

দোকান খোলার সময় কমিয়ে রাতে বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে ব্যবসায়ীরা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছেন।


বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, প্রয়োজন হলে দোকান খোলার সময় পিছিয়ে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা করা যেতে পারে। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই দোকান বন্ধ করতে হলে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।


শুক্রবার সন্ধ্যায় সংগঠনটির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রস্তাব জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির জরুরি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে দেশের প্রায় ৭০ লাখ ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নেতারা মনে করেন, দিনে ও রাতে অধিকাংশ দোকানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় সমান। তাই দিনের শুরুতে কিছুটা সময় কমিয়ে সেই সময় সন্ধ্যার পর ব্যবসার সুযোগ দিলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই উপকৃত হবেন। বিশেষ করে অফিস শেষে ক্রেতাদের কেনাকাটার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।

সমিতির সভাপতি জানান, হঠাৎ করে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার নিয়ম বাস্তবায়ন করা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক ব্যবসায়ী নতুন সময়সূচি পুরোপুরি মানতে পারছেন না এবং বেশিরভাগ দোকান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখছেন।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারির পর থেকেই ব্যবসায়ীরা একের পর এক সংকটে পড়ছেন। এর মধ্যে সামনে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে অনেক ব্যবসায়ী বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন। এখন যদি ব্যবসার সময় সীমিত করা হয়, তাহলে লোকসানের ঝুঁকি বাড়বে।

এছাড়া দোকান বন্ধের পর হিসাব-নিকাশসহ অন্যান্য কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত সময় লাগে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হলে কার্যত বিকেল থেকেই ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে, যা ব্যবসার জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা।

এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের উদ্যোগে সহায়তা জানিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনটি নিজ থেকেই দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল। কিন্তু পরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও কঠোর সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং ব্যাংক বন্ধ হবে বিকেল ৪টার মধ্যে। পাশাপাশি দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তাদের প্রস্তাব পুনরায় পর্যালোচনা করবে এবং বাস্তবসম্মত সমাধান দেবে।

বিষয় : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


দোকান খোলার সময় কমিয়ে রাতে বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে ব্যবসায়ীরা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছেন।


বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, প্রয়োজন হলে দোকান খোলার সময় পিছিয়ে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা করা যেতে পারে। কিন্তু সন্ধ্যার আগেই দোকান বন্ধ করতে হলে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।


শুক্রবার সন্ধ্যায় সংগঠনটির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রস্তাব জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির জরুরি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে দেশের প্রায় ৭০ লাখ ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নেতারা মনে করেন, দিনে ও রাতে অধিকাংশ দোকানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় সমান। তাই দিনের শুরুতে কিছুটা সময় কমিয়ে সেই সময় সন্ধ্যার পর ব্যবসার সুযোগ দিলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই উপকৃত হবেন। বিশেষ করে অফিস শেষে ক্রেতাদের কেনাকাটার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।

সমিতির সভাপতি জানান, হঠাৎ করে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার নিয়ম বাস্তবায়ন করা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক ব্যবসায়ী নতুন সময়সূচি পুরোপুরি মানতে পারছেন না এবং বেশিরভাগ দোকান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখছেন।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারির পর থেকেই ব্যবসায়ীরা একের পর এক সংকটে পড়ছেন। এর মধ্যে সামনে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে অনেক ব্যবসায়ী বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন। এখন যদি ব্যবসার সময় সীমিত করা হয়, তাহলে লোকসানের ঝুঁকি বাড়বে।

এছাড়া দোকান বন্ধের পর হিসাব-নিকাশসহ অন্যান্য কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত সময় লাগে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হলে কার্যত বিকেল থেকেই ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে, যা ব্যবসার জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা।

এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের উদ্যোগে সহায়তা জানিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনটি নিজ থেকেই দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল। কিন্তু পরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও কঠোর সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং ব্যাংক বন্ধ হবে বিকেল ৪টার মধ্যে। পাশাপাশি দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তাদের প্রস্তাব পুনরায় পর্যালোচনা করবে এবং বাস্তবসম্মত সমাধান দেবে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো