ব্যবসায়ী নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় প্রতিদিন অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের সম্মিলিত চাহিদা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ লিটার। অথচ বর্তমানে খুলনার তিনটি প্রধান ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯ লাখ লিটার। বৈশ্বিক সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা ট্যাংকলরি ওনার্স ভবনে জ্বালানি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট চারটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনটি ডিপো থেকে আরও মাত্র সাড়ে ৪ লাখ লিটার (ডিপো প্রতি ১.৫ লাখ লিটার) অতিরিক্ত তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিপিসি সেই যৌক্তিক প্রস্তাব গ্রহণ না করায় তারা স্বেচ্ছায় বিপণন বন্ধ রাখার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টুসহ অন্যান্য নেতারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এতই কম যে ফিলিং স্টেশনগুলো চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত তেল না পেলে আমরা সাধারণ গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছি না। বিপিসি দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
হঠাৎ করে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ হওয়ায় খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও কৃষি সেচ কাজে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাস ও ঈদের আগে এই ধর্মঘট সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ব্যবসায়ী নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় প্রতিদিন অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের সম্মিলিত চাহিদা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ লিটার। অথচ বর্তমানে খুলনার তিনটি প্রধান ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯ লাখ লিটার। বৈশ্বিক সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা ট্যাংকলরি ওনার্স ভবনে জ্বালানি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট চারটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনটি ডিপো থেকে আরও মাত্র সাড়ে ৪ লাখ লিটার (ডিপো প্রতি ১.৫ লাখ লিটার) অতিরিক্ত তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিপিসি সেই যৌক্তিক প্রস্তাব গ্রহণ না করায় তারা স্বেচ্ছায় বিপণন বন্ধ রাখার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টুসহ অন্যান্য নেতারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এতই কম যে ফিলিং স্টেশনগুলো চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত তেল না পেলে আমরা সাধারণ গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছি না। বিপিসি দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
হঠাৎ করে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ হওয়ায় খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও কৃষি সেচ কাজে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাস ও ঈদের আগে এই ধর্মঘট সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন