মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

জ্বালানি সংকট

জ্বালানি সংকটে উত্তাল ১৫ জেলা: তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।

জ্বালানি সংকটে উত্তাল ১৫ জেলা: তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।
ছবি : সংগৃহীত

চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগে খুলনাসহ দেশের ১৫ জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন ও বিপণন স্বেচ্ছায় বন্ধ রেখেছেন জ্বালানি ব্যবসায়ীরা। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে এই কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

ব্যবসায়ী নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় প্রতিদিন অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের সম্মিলিত চাহিদা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ লিটার। অথচ বর্তমানে খুলনার তিনটি প্রধান ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯ লাখ লিটার। বৈশ্বিক সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা ট্যাংকলরি ওনার্স ভবনে জ্বালানি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট চারটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনটি ডিপো থেকে আরও মাত্র সাড়ে ৪ লাখ লিটার (ডিপো প্রতি ১.৫ লাখ লিটার) অতিরিক্ত তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিপিসি সেই যৌক্তিক প্রস্তাব গ্রহণ না করায় তারা স্বেচ্ছায় বিপণন বন্ধ রাখার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।

খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টুসহ অন্যান্য নেতারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এতই কম যে ফিলিং স্টেশনগুলো চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত তেল না পেলে আমরা সাধারণ গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছি না। বিপিসি দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

হঠাৎ করে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ হওয়ায় খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও কৃষি সেচ কাজে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাস ও ঈদের আগে এই ধর্মঘট সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


জ্বালানি সংকটে উত্তাল ১৫ জেলা: তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগে খুলনাসহ দেশের ১৫ জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন ও বিপণন স্বেচ্ছায় বন্ধ রেখেছেন জ্বালানি ব্যবসায়ীরা। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে এই কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

ব্যবসায়ী নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় প্রতিদিন অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের সম্মিলিত চাহিদা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ লিটার। অথচ বর্তমানে খুলনার তিনটি প্রধান ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯ লাখ লিটার। বৈশ্বিক সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এই সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা ট্যাংকলরি ওনার্স ভবনে জ্বালানি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট চারটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনটি ডিপো থেকে আরও মাত্র সাড়ে ৪ লাখ লিটার (ডিপো প্রতি ১.৫ লাখ লিটার) অতিরিক্ত তেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিপিসি সেই যৌক্তিক প্রস্তাব গ্রহণ না করায় তারা স্বেচ্ছায় বিপণন বন্ধ রাখার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।

খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টুসহ অন্যান্য নেতারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এতই কম যে ফিলিং স্টেশনগুলো চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত তেল না পেলে আমরা সাধারণ গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছি না। বিপিসি দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

হঠাৎ করে জ্বালানি তেল উত্তোলন ও বিপণন বন্ধ হওয়ায় খুলনা বিভাগসহ ১৫ জেলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও কৃষি সেচ কাজে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাস ও ঈদের আগে এই ধর্মঘট সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো