গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল জব্বারের বিরুদ্ধে এক ইউপি সদস্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল জব্বার
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ মোশারফ হোসেন মোল্লাকে পিআইও কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দাসপাড়া পাকা সড়ক থেকে সিদ্দিক মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩০ মিটার রাস্তা মাটি ভরাটের একটি প্রকল্পে প্রথমে ১৪ বস্তা বরাদ্দ দেওয়া হলেও পরে তা পরিবর্তন করে ১৮ বস্তা চাল বরাদ্দ করা হয়। প্রকল্পের সিপিআই হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রথম কিস্তির অর্থ উত্তোলন করে কাজ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে নিজ অর্থায়নে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করেন।
ভুক্তভোগী ইউপি সদস্যের লিখিত অভিযোগ
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কাজে পূর্বে পিআইও আবুল জব্বার ২০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন। পরবর্তীতে চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের সময় পুনরায় অর্থ দাবি করা হলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিল আটকে দেওয়া হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ইউপি সদস্যকে লাঞ্ছিত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আলী কবিরের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, এ ব্যাপারে আমরা জনাব আব্দুল জব্বারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু তার বক্তব্য না পাওয়ায় এই সংবাদ এ তার বক্তব্য তুলে ধরা যায়নি। তবে পরবর্তীতে তিনি তার কোনো বক্তব্য প্রদান করলে আমরা তা প্রকাশ করতে আন্তরিক থাকব।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল জব্বারের বিরুদ্ধে এক ইউপি সদস্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল জব্বার
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ মোশারফ হোসেন মোল্লাকে পিআইও কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দাসপাড়া পাকা সড়ক থেকে সিদ্দিক মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩০ মিটার রাস্তা মাটি ভরাটের একটি প্রকল্পে প্রথমে ১৪ বস্তা বরাদ্দ দেওয়া হলেও পরে তা পরিবর্তন করে ১৮ বস্তা চাল বরাদ্দ করা হয়। প্রকল্পের সিপিআই হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রথম কিস্তির অর্থ উত্তোলন করে কাজ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে নিজ অর্থায়নে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করেন।
ভুক্তভোগী ইউপি সদস্যের লিখিত অভিযোগ
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কাজে পূর্বে পিআইও আবুল জব্বার ২০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন। পরবর্তীতে চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের সময় পুনরায় অর্থ দাবি করা হলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিল আটকে দেওয়া হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ইউপি সদস্যকে লাঞ্ছিত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আলী কবিরের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, এ ব্যাপারে আমরা জনাব আব্দুল জব্বারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু তার বক্তব্য না পাওয়ায় এই সংবাদ এ তার বক্তব্য তুলে ধরা যায়নি। তবে পরবর্তীতে তিনি তার কোনো বক্তব্য প্রদান করলে আমরা তা প্রকাশ করতে আন্তরিক থাকব।

আপনার মতামত লিখুন