আমিরাতের ‘ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি’ (আইসিপি) নিশ্চিত করেছে যে, ফ্লাইট বাতিল বা আকাশপথ বন্ধ হওয়ার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত সময় (Overstay) অবস্থান করা ব্যক্তিদের কোনো জরিমানা দিতে হবে না।
১. ভিজিট ও ট্যুরিস্ট ভিসা: যাদের ভিসার মেয়াদ এই সংকটের সময় শেষ হয়েছে, তারা অতিরিক্ত ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পাবেন। ২. রেসিডেন্সি ভিসা: যাদের রেসিডেন্সি পারমিট সম্প্রতি বাতিল হয়েছে বা মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ৩. জরুরি অবতরণ: আকাশপথ বিঘ্নিত হওয়ায় কোনো ফ্লাইট জরুরি ভিত্তিতে আমিরাতে নামতে বাধ্য হলে যাত্রীদের বিনামূল্যে ‘টেম্পোরারি ল্যান্ডিং পারমিট’ দেওয়া হবে।
আটকে পড়া বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বিনামূল্যে ‘এক্সিট পারমিট’ বা দেশত্যাগের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই প্রবাসীরা নিজ দেশে ফিরতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, এই বিশেষ পরিস্থিতিতে সময়মতো আবেদন করতে না পারাকে অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে না।
এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে নিচের তথ্যগুলো প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে:
দুবাইসহ আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত হাজার হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন সাপেক্ষে ভ্রমণকারীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে বর্তমান নির্দেশিকা পুনরায় নিশ্চিত করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
আমিরাতের ‘ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি’ (আইসিপি) নিশ্চিত করেছে যে, ফ্লাইট বাতিল বা আকাশপথ বন্ধ হওয়ার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত সময় (Overstay) অবস্থান করা ব্যক্তিদের কোনো জরিমানা দিতে হবে না।
১. ভিজিট ও ট্যুরিস্ট ভিসা: যাদের ভিসার মেয়াদ এই সংকটের সময় শেষ হয়েছে, তারা অতিরিক্ত ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পাবেন। ২. রেসিডেন্সি ভিসা: যাদের রেসিডেন্সি পারমিট সম্প্রতি বাতিল হয়েছে বা মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ৩. জরুরি অবতরণ: আকাশপথ বিঘ্নিত হওয়ায় কোনো ফ্লাইট জরুরি ভিত্তিতে আমিরাতে নামতে বাধ্য হলে যাত্রীদের বিনামূল্যে ‘টেম্পোরারি ল্যান্ডিং পারমিট’ দেওয়া হবে।
আটকে পড়া বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বিনামূল্যে ‘এক্সিট পারমিট’ বা দেশত্যাগের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই প্রবাসীরা নিজ দেশে ফিরতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, এই বিশেষ পরিস্থিতিতে সময়মতো আবেদন করতে না পারাকে অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে না।
এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে নিচের তথ্যগুলো প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে:
দুবাইসহ আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত হাজার হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন সাপেক্ষে ভ্রমণকারীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে বর্তমান নির্দেশিকা পুনরায় নিশ্চিত করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন