ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের খোকন ফকিরের ছেলে আব্দুর রহিম ফকির মোট ৯২ হাজার টাকা অনলাইন করার উদ্দেশ্যে ব্যাংকে আসেন। টাকা জমা নেওয়ার সময় কাউন্টারে থাকা ব্যাংক কর্মকর্তার সন্দেহ হয়। পরে নোটগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, জমা দেওয়া টাকার মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো জাল নোট রয়েছে। জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কৌশলে আব্দুর রহিমকে ভেতরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নোটগুলো জব্দ করে। প্রাথমিকভাবে বিপুল পরিমাণ নোট জাল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে আটক ব্যক্তিকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। আটক আব্দুর রহিম এই জাল টাকা কোথায় পেলেন এবং এর পেছনে কোনো বড় চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাংকের মতো নিরাপদ স্থানে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা নিয়ে আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, সামনে ঈদকে কেন্দ্র করে জাল টাকা চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই সাধারণ মানুষকে লেনদেনের সময় আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের খোকন ফকিরের ছেলে আব্দুর রহিম ফকির মোট ৯২ হাজার টাকা অনলাইন করার উদ্দেশ্যে ব্যাংকে আসেন। টাকা জমা নেওয়ার সময় কাউন্টারে থাকা ব্যাংক কর্মকর্তার সন্দেহ হয়। পরে নোটগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, জমা দেওয়া টাকার মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো জাল নোট রয়েছে। জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কৌশলে আব্দুর রহিমকে ভেতরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নোটগুলো জব্দ করে। প্রাথমিকভাবে বিপুল পরিমাণ নোট জাল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে আটক ব্যক্তিকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। আটক আব্দুর রহিম এই জাল টাকা কোথায় পেলেন এবং এর পেছনে কোনো বড় চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাংকের মতো নিরাপদ স্থানে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা নিয়ে আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, সামনে ঈদকে কেন্দ্র করে জাল টাকা চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই সাধারণ মানুষকে লেনদেনের সময় আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন