যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনার প্রাক্কালে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরানি প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গালিবাফের এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং পার্লামেন্টের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দলের গঠন ইঙ্গিত দেয় যে, আলোচনাটি কেবল সামরিক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং আর্থিক ও কৌশলগত ইস্যুগুলোতেও গুরুত্ব দিতে চায় তেহরান।
ইসলামাবাদে পৌঁছালেও এই আলোচনা যে অত্যন্ত জটিল হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই বিশ্লেষকদের। প্রতিবেদনে উঠে আসা প্রধান সংকটগুলো হলো :
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান চায় পক্ষগুলো গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিক এবং একটি টেকসই সমাধানের পথ খুঁজে বের করুক। তবে পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের বিমানবন্দরে উপস্থিতি সত্ত্বেও, এই আলোচনার সফলতা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, আলোচনার প্রাক্কালে যে পরিমাণ জটিলতা ও অবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি হয়েছে, তাতে কেবল যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াটি টিকে থাকলেই তা বিশ্ববাসীর জন্য বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনার প্রাক্কালে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরানি প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গালিবাফের এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং পার্লামেন্টের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দলের গঠন ইঙ্গিত দেয় যে, আলোচনাটি কেবল সামরিক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং আর্থিক ও কৌশলগত ইস্যুগুলোতেও গুরুত্ব দিতে চায় তেহরান।
ইসলামাবাদে পৌঁছালেও এই আলোচনা যে অত্যন্ত জটিল হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই বিশ্লেষকদের। প্রতিবেদনে উঠে আসা প্রধান সংকটগুলো হলো :
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান চায় পক্ষগুলো গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিক এবং একটি টেকসই সমাধানের পথ খুঁজে বের করুক। তবে পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের বিমানবন্দরে উপস্থিতি সত্ত্বেও, এই আলোচনার সফলতা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, আলোচনার প্রাক্কালে যে পরিমাণ জটিলতা ও অবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি হয়েছে, তাতে কেবল যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াটি টিকে থাকলেই তা বিশ্ববাসীর জন্য বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন