সবুজ গাছপালায় ঘেরা রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাস আজ সেজেছিল নতুন রূপে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে মেতে উঠেছিল রুয়েট পরিবার। শোভাযাত্রা, লোকজ পরিবেশনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়।
সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রাটিতে গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে নকশিকাঁথা, মাটির সামগ্রী, ঢোল, বাঁশি এবং কৃষিজীবনের নানা উপকরণ প্রদর্শন করা হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস এক উৎসবের আমেজে রূপ নেয়।
নববর্ষের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যা রুয়েটের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন অনুরণন-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নাচ, গান, আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। বিশেষ করে স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পনির্ভর উপস্থাপনাগুলো অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ক্যাম্পাস জুড়ে আয়োজিত নানা স্টল ছিল নববর্ষের আরেকটি বিশেষ দিক। পিঠাপুলি, পান্তা-ইলিশ এবং গ্রাম বাংলার হস্তশিল্পের সমাহার ছিল চোখে পড়ার মতো। সব মিলিয়ে দিনটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এইচ এম রাসেল, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সবুজ গাছপালায় ঘেরা রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাস আজ সেজেছিল নতুন রূপে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে মেতে উঠেছিল রুয়েট পরিবার। শোভাযাত্রা, লোকজ পরিবেশনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়।
সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রাটিতে গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে নকশিকাঁথা, মাটির সামগ্রী, ঢোল, বাঁশি এবং কৃষিজীবনের নানা উপকরণ প্রদর্শন করা হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস এক উৎসবের আমেজে রূপ নেয়।
নববর্ষের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যা রুয়েটের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন অনুরণন-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নাচ, গান, আবৃত্তি ও লোকজ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। বিশেষ করে স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পনির্ভর উপস্থাপনাগুলো অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ক্যাম্পাস জুড়ে আয়োজিত নানা স্টল ছিল নববর্ষের আরেকটি বিশেষ দিক। পিঠাপুলি, পান্তা-ইলিশ এবং গ্রাম বাংলার হস্তশিল্পের সমাহার ছিল চোখে পড়ার মতো। সব মিলিয়ে দিনটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এইচ এম রাসেল, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী।

আপনার মতামত লিখুন