বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি ঝানু রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হলেও, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন এদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ড অ্যাথলেট। পাকিস্তান আমলে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা টপকে তিনি পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এবং এক ম্যাচে ডাবল হ্যাটট্রিকের মতো অবিশ্বাস্য রেকর্ড রয়েছে তার ঝুলিতে।
শুধু ফুটবল নয়, অ্যাথলেটিক্সেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। স্বাধীনতার আগে পূর্ব পাকিস্তানে একাধিকবার 'দ্রুততম মানব' (১০০ মিটার স্প্রিন্ট) হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন তিনি। তার ক্রীড়া নৈপুণ্যের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানজনক 'ব্লু' পদকেও ভূষিত হন তিনি।
খেলোয়াড়ি জীবনের পর সংগঠক হিসেবেও তিনি দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এশীয় ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সহ-সভাপতি এবং ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে তাকে বাংলাদেশের শতাব্দীর সেরা ফুটবল ব্যক্তিত্ব হিসেবে 'ফিফা অর্ডার অফ মেরিট' পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
আশির দশকে সংসদ সদস্য এবং নব্বইয়ের দশকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেজর হাফিজ ১৯৯৪ সালের পর থেকে রাজনীতিতে পুরোদমে সক্রিয় হন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য এবার স্পিকার নির্বাচিত হয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে অনেক ক্রীড়াবিদ সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হলেও স্পিকার হওয়ার গৌরব আর কারো নেই।
একজন সাবেক ক্রীড়াবিদ ও সফল সংগঠক স্পিকারের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসনে বসায় ফুটবলসহ পুরো ক্রীড়াঙ্গন উচ্ছ্বসিত। ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি ঝানু রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হলেও, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন এদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ড অ্যাথলেট। পাকিস্তান আমলে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা টপকে তিনি পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এবং এক ম্যাচে ডাবল হ্যাটট্রিকের মতো অবিশ্বাস্য রেকর্ড রয়েছে তার ঝুলিতে।
শুধু ফুটবল নয়, অ্যাথলেটিক্সেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। স্বাধীনতার আগে পূর্ব পাকিস্তানে একাধিকবার 'দ্রুততম মানব' (১০০ মিটার স্প্রিন্ট) হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন তিনি। তার ক্রীড়া নৈপুণ্যের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানজনক 'ব্লু' পদকেও ভূষিত হন তিনি।
খেলোয়াড়ি জীবনের পর সংগঠক হিসেবেও তিনি দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এশীয় ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সহ-সভাপতি এবং ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে তাকে বাংলাদেশের শতাব্দীর সেরা ফুটবল ব্যক্তিত্ব হিসেবে 'ফিফা অর্ডার অফ মেরিট' পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
আশির দশকে সংসদ সদস্য এবং নব্বইয়ের দশকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেজর হাফিজ ১৯৯৪ সালের পর থেকে রাজনীতিতে পুরোদমে সক্রিয় হন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য এবার স্পিকার নির্বাচিত হয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে অনেক ক্রীড়াবিদ সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হলেও স্পিকার হওয়ার গৌরব আর কারো নেই।
একজন সাবেক ক্রীড়াবিদ ও সফল সংগঠক স্পিকারের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসনে বসায় ফুটবলসহ পুরো ক্রীড়াঙ্গন উচ্ছ্বসিত। ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

আপনার মতামত লিখুন