গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সংকট নিরসনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সম্পাদক ও সংবাদপত্রের মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপে বসবেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল, ২০২৬) সচিবালয়ে নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বৈঠকে নোয়াব নেতারা সংবাদপত্র শিল্পের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত জটিলতা এবং শিল্পের সার্বিক সংকটগুলো প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের দাবিদাওয়াগুলো শুনেছেন। অনেকগুলো বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক একমত পোষণ করেছেন এবং কিছু বিষয় বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সময়ের কথা জানিয়েছেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বলিষ্ঠ অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি নোয়াব নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, বর্তমান সরকার আগের সরকারগুলোর পথ অনুসরণ করবে না। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ এখন একটি উদার গণতন্ত্রের পথে এগোতে চায়, যেখানে গণমাধ্যম তার পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। এই অবস্থানকে সংবাদপত্রের মালিক ও সম্পাদকরা দেশের আগামীর সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
বৈঠকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলা এবং গ্রেপ্তারের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান যে, কোনো সাংবাদিক বিনা কারণে কারাবন্দী রয়েছেন কি না বা হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া সংবাদপত্রের দীর্ঘদিনের বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়। বৈঠকে নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বা পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সম্পাদক ও মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের অভাব ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই প্রথা ভেঙে প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সাথে বসে সমস্যার সমাধান এবং মতবিনিময়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সংকট নিরসনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সম্পাদক ও সংবাদপত্রের মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপে বসবেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল, ২০২৬) সচিবালয়ে নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বৈঠকে নোয়াব নেতারা সংবাদপত্র শিল্পের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত জটিলতা এবং শিল্পের সার্বিক সংকটগুলো প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের দাবিদাওয়াগুলো শুনেছেন। অনেকগুলো বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক একমত পোষণ করেছেন এবং কিছু বিষয় বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সময়ের কথা জানিয়েছেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বলিষ্ঠ অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি নোয়াব নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, বর্তমান সরকার আগের সরকারগুলোর পথ অনুসরণ করবে না। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ এখন একটি উদার গণতন্ত্রের পথে এগোতে চায়, যেখানে গণমাধ্যম তার পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। এই অবস্থানকে সংবাদপত্রের মালিক ও সম্পাদকরা দেশের আগামীর সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
বৈঠকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলা এবং গ্রেপ্তারের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান যে, কোনো সাংবাদিক বিনা কারণে কারাবন্দী রয়েছেন কি না বা হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া সংবাদপত্রের দীর্ঘদিনের বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়। বৈঠকে নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বা পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সম্পাদক ও মালিকদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের অভাব ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই প্রথা ভেঙে প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সাথে বসে সমস্যার সমাধান এবং মতবিনিময়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন