পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শেষ হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ। প্রথম দফার ফলাফল নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বড় জয়ের দাবি করলেও, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য এখন নবান্ন ছাপিয়ে দিল্লির মসনদ। দুই শীর্ষ নেতার এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে সরগরম ওপার বাংলার রাজনীতি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে অমিত শাহ প্রথম দফার উচ্চ ভোটার উপস্থিতিকে (৯২.০৩ শতাংশ) ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, প্রথম দফায় ভোট হওয়া ১৫২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১১০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করবে। শাহ বলেন, বাংলার মানুষ ভয় কাটিয়ে আস্থার দিকে যাত্রা শুরু করেছে। স্বাধীনতা-উত্তরকালে বাংলায় এটাই প্রথম নির্বাচন, যেখানে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। বিজেপি নেতার মতে, এই উচ্চ ভোটদান আসলে পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত।
অন্যদিকে, কলকাতার চৌরঙ্গী এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় সরাসরি বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় তৃণমূলকে হারানো অসম্ভব। মমতা বলেন, আগে বাংলায় জিতব, তারপর সব বিরোধী দলকে একজোট করে দিল্লি দখল করব। আমি নিজে কোনো পদ চাই না, আমি চাই দিল্লি থেকে বিজেপির বিনাশ। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে বিরোধীদের দমনে নেমেছে।
এবারের নির্বাচনে বড় কোনো সংঘাত না হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে প্রথম দফার পরই দুই শিবিরের এমন আত্মবিশ্বাসী দাবি ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে। বাংলার এই লড়াইয়ের ফলাফল শেষ পর্যন্ত দিল্লির রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শেষ হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ। প্রথম দফার ফলাফল নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বড় জয়ের দাবি করলেও, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য এখন নবান্ন ছাপিয়ে দিল্লির মসনদ। দুই শীর্ষ নেতার এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে সরগরম ওপার বাংলার রাজনীতি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে অমিত শাহ প্রথম দফার উচ্চ ভোটার উপস্থিতিকে (৯২.০৩ শতাংশ) ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, প্রথম দফায় ভোট হওয়া ১৫২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১১০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করবে। শাহ বলেন, বাংলার মানুষ ভয় কাটিয়ে আস্থার দিকে যাত্রা শুরু করেছে। স্বাধীনতা-উত্তরকালে বাংলায় এটাই প্রথম নির্বাচন, যেখানে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। বিজেপি নেতার মতে, এই উচ্চ ভোটদান আসলে পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত।
অন্যদিকে, কলকাতার চৌরঙ্গী এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় সরাসরি বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় তৃণমূলকে হারানো অসম্ভব। মমতা বলেন, আগে বাংলায় জিতব, তারপর সব বিরোধী দলকে একজোট করে দিল্লি দখল করব। আমি নিজে কোনো পদ চাই না, আমি চাই দিল্লি থেকে বিজেপির বিনাশ। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে বিরোধীদের দমনে নেমেছে।
এবারের নির্বাচনে বড় কোনো সংঘাত না হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে প্রথম দফার পরই দুই শিবিরের এমন আত্মবিশ্বাসী দাবি ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে। বাংলার এই লড়াইয়ের ফলাফল শেষ পর্যন্ত দিল্লির রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন