সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের কাকুয়া ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে ভোরের আলো ফুটতেই ঝলমল করে উঠছে সূর্যমুখী। সবুজ পাতার আড়াল থেকে মাথা উঁচু করে সূর্যকে অভিবাদন জানাচ্ছে হাজারো ফুল। ফুলে ফুলে মৌমাছি আর প্রজাপতির আনাগোনা যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। এই নয়নজুড়ানো দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। সেলফি আর ছবি তুলে মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখছেন দর্শনার্থীরা।
স্থানীয় চাষিরা জানান, ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ অনেক বেশি। সদর উপজেলার চাষি মো. রফিকুল বলেন, "আমি ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো দেখা যাচ্ছে, আশা করছি এবার ভালো লাভ হবে।"
পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সূর্যমুখী তেলের চাহিদা বাজারে দিন দিন বাড়তে থাকায় অনেক কৃষকই এখন এই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইলের কৃষিখাতে আধুনিকায়নের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন বলেও স্থানীয়রা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ১৭৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ চাষ হয়েছে বাসাইলে ৪৬ হেক্টর এবং সদর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে। এছাড়া দেলদুয়ারে ২০ হেক্টর ও মধুপুরে ১৪ হেক্টরসহ অন্যান্য উপজেলায়ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাষ হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা কৃষি অফিসার রুমানা আক্তার জানান,
"সূর্যমুখী চাষ দিন দিন বাড়ছে। এটি একদিকে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাচ্ছে, অন্যদিকে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। কৃষকদের নিয়মিত সার, বীজ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।"
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, "ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে আমরা কৃষকদের এই অর্থকরী ফসল চাষে উৎসাহিত করছি। মাঠ পর্যায়ে উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি কৃষকেরা এবার কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন।"

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের কাকুয়া ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে ভোরের আলো ফুটতেই ঝলমল করে উঠছে সূর্যমুখী। সবুজ পাতার আড়াল থেকে মাথা উঁচু করে সূর্যকে অভিবাদন জানাচ্ছে হাজারো ফুল। ফুলে ফুলে মৌমাছি আর প্রজাপতির আনাগোনা যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। এই নয়নজুড়ানো দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। সেলফি আর ছবি তুলে মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখছেন দর্শনার্থীরা।
স্থানীয় চাষিরা জানান, ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ অনেক বেশি। সদর উপজেলার চাষি মো. রফিকুল বলেন, "আমি ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো দেখা যাচ্ছে, আশা করছি এবার ভালো লাভ হবে।"
পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সূর্যমুখী তেলের চাহিদা বাজারে দিন দিন বাড়তে থাকায় অনেক কৃষকই এখন এই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইলের কৃষিখাতে আধুনিকায়নের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন বলেও স্থানীয়রা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ১৭৮ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ চাষ হয়েছে বাসাইলে ৪৬ হেক্টর এবং সদর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে। এছাড়া দেলদুয়ারে ২০ হেক্টর ও মধুপুরে ১৪ হেক্টরসহ অন্যান্য উপজেলায়ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাষ হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা কৃষি অফিসার রুমানা আক্তার জানান,
"সূর্যমুখী চাষ দিন দিন বাড়ছে। এটি একদিকে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাচ্ছে, অন্যদিকে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। কৃষকদের নিয়মিত সার, বীজ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।"
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, "ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে আমরা কৃষকদের এই অর্থকরী ফসল চাষে উৎসাহিত করছি। মাঠ পর্যায়ে উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি কৃষকেরা এবার কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন।"

আপনার মতামত লিখুন