মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বালিয়াকান্দিতে আগাম ফুলকপিতে ভয়াবহ পচন রোগ, মারাত্মক ক্ষতির মুখে চাষিরা

বালিয়াকান্দিতে আগাম ফুলকপিতে ভয়াবহ পচন রোগ, মারাত্মক ক্ষতির মুখে চাষিরা

বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা

বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা

পাইকগাছার নার্সারিগুলোতে গুটি কলমের ব্যস্ততা, শ্রমসংকটে বাড়তি খরচের চাপ

পাইকগাছার নার্সারিগুলোতে গুটি কলমের ব্যস্ততা, শ্রমসংকটে বাড়তি খরচের চাপ

ফরিদপুরে কৃষিতে নতুন দিগন্ত: সালথায় প্রথমবারের মতো ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ!

ফরিদপুরে কৃষিতে নতুন দিগন্ত: সালথায় প্রথমবারের মতো ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ!

হাওরে কৃষকের হাহাকার: পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ডুবছে সোনালি স্বপ্ন

হাওরে কৃষকের হাহাকার: পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ডুবছে সোনালি স্বপ্ন

সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?

সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?

হলুদ প্রান্তরে কৃষকের হাসি: চরফ্যাশনে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা

হলুদ প্রান্তরে কৃষকের হাসি: চরফ্যাশনে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা

গোপালগঞ্জে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: সুফল পাবে কয়েক হাজার পরিবার।

গোপালগঞ্জে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: সুফল পাবে কয়েক হাজার পরিবার।

রোদে পুড়ছে শরীর, কিন্তু ধানের শীষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন!

সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?

সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?
ছবি : দৈনিক নতুন আলো

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মাঠ জুড়ে এখন সোনালি ধানের ঢেউ খেলানো দৃশ্য। বৈশাখের তপ্ত রোদের মধ্যেও ধানের শীষে দোল খাচ্ছে কৃষকের হাজারো স্বপ্ন। বুকভরা আশা নিয়ে সোনালি ধান রোপণ করা কৃষকরা এখন প্রহর গুনছেন কখন এই সোনালি ফসল ঘরে উঠবে এবং তাদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটবে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ফসলের মাঠগুলো সবুজ থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করতে শুরু করেছে। বেশির ভাগ মাঠেই ধানের শীষে পাক ধরেছে। বৃষ্টির অপেক্ষায় এবার ধান রোপণ কিছুটা দেরিতে হলেও, বাড়ে সেচের পানিতেই বেশির ভাগ কৃষক চাষাবাদ শেষ করেছেন। বর্তমানে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকায় কৃষকরা আশা করছেন আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হবে।

যদিও ধান আবাদ ভালো হয়েছে, কিন্তু এবার কৃষকদের দ্বিগুণের বেশি উৎপাদন খরচ গুণতে হয়েছে। সেচের বাড়তি খরচ এবং সার-কীটনাশকের চড়া দাম যেন কৃষকদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষকরা জানান, ধান উৎপাদনে সেচ, শ্রমিকের মজুরি, সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের খরচ অনেক বেড়ে গেছে।


তাছাড়া, কিছুদিন আগেও পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ থাকলেও এখন প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা করে লোডশেডিং চলছে। এতে ডিজেল চালিত মেশিনের ওপর সেচ নির্ভর কৃষকদের ভোগান্তি এবং খরচ—দুটোই বেড়েছে। যদিও কৃষকরা পর্যাপ্ত ডিজেল পাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

কাশালিয়া গ্রামের কৃষক আকবার আলী বলেন, আমার ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। শুরুর দিকে পানি না পেলেও পরে যথেষ্ট পানি পেয়েছি। প্রায় জমির ধান পেকে গেছে, কয়েক দিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু করব। অন্যদিকে, কৃষক সিরাজুর ইসলাম আশা প্রকাশ করেন, ঝড়-বৃষ্টি না হলে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারব। শুনেছি বাজারে দাম ভালো, আশা করছি এবার লাভ হবে।

মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান জানান, এ বছর উপজেলায় ১৩ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। লোডশেডিং এবং ডিজেল সেচের বিষয়ে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও ডিজেলের সমন্বয়ে কৃষক সুবিধা মতো বোরো ধানে সেচ দিতে পেরেছেন।

বিষয় : মুকসুদপুর গোপালগঞ্জ লোডশেডিং বোরো ধান ধানের ন্যায্যমূল্য

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মাঠ জুড়ে এখন সোনালি ধানের ঢেউ খেলানো দৃশ্য। বৈশাখের তপ্ত রোদের মধ্যেও ধানের শীষে দোল খাচ্ছে কৃষকের হাজারো স্বপ্ন। বুকভরা আশা নিয়ে সোনালি ধান রোপণ করা কৃষকরা এখন প্রহর গুনছেন কখন এই সোনালি ফসল ঘরে উঠবে এবং তাদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটবে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ফসলের মাঠগুলো সবুজ থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করতে শুরু করেছে। বেশির ভাগ মাঠেই ধানের শীষে পাক ধরেছে। বৃষ্টির অপেক্ষায় এবার ধান রোপণ কিছুটা দেরিতে হলেও, বাড়ে সেচের পানিতেই বেশির ভাগ কৃষক চাষাবাদ শেষ করেছেন। বর্তমানে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকায় কৃষকরা আশা করছেন আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হবে।

যদিও ধান আবাদ ভালো হয়েছে, কিন্তু এবার কৃষকদের দ্বিগুণের বেশি উৎপাদন খরচ গুণতে হয়েছে। সেচের বাড়তি খরচ এবং সার-কীটনাশকের চড়া দাম যেন কৃষকদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষকরা জানান, ধান উৎপাদনে সেচ, শ্রমিকের মজুরি, সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের খরচ অনেক বেড়ে গেছে।


তাছাড়া, কিছুদিন আগেও পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ থাকলেও এখন প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা করে লোডশেডিং চলছে। এতে ডিজেল চালিত মেশিনের ওপর সেচ নির্ভর কৃষকদের ভোগান্তি এবং খরচ—দুটোই বেড়েছে। যদিও কৃষকরা পর্যাপ্ত ডিজেল পাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

কাশালিয়া গ্রামের কৃষক আকবার আলী বলেন, আমার ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। শুরুর দিকে পানি না পেলেও পরে যথেষ্ট পানি পেয়েছি। প্রায় জমির ধান পেকে গেছে, কয়েক দিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু করব। অন্যদিকে, কৃষক সিরাজুর ইসলাম আশা প্রকাশ করেন, ঝড়-বৃষ্টি না হলে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারব। শুনেছি বাজারে দাম ভালো, আশা করছি এবার লাভ হবে।

মুকসুদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান জানান, এ বছর উপজেলায় ১৩ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। লোডশেডিং এবং ডিজেল সেচের বিষয়ে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও ডিজেলের সমন্বয়ে কৃষক সুবিধা মতো বোরো ধানে সেচ দিতে পেরেছেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো