রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ জাপান। দেশটি প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা) সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত ও কৃষিমন্ত্রী সুজুকি নরিকাজুর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎকালে এই আশ্বাস দেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি জাপানি প্রতিনিধিদের সামনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। পাশাপাশি জাপানের অর্থায়নে দেশে চলমান মেগা প্রজেক্ট—মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, মেট্রোরেল এবং শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ প্রকল্পগুলোতে পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে কৃষি, ইলেকট্রনিকস ও অটোমোবাইল খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে জাপানে দক্ষ জনশক্তি, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতে পাঠানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। জাপানি প্রতিনিধি দল এসকল প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
বৈঠকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আমিন উর রশীদ এবং খলিলুর রহমানসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ জাপান। দেশটি প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা) সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত ও কৃষিমন্ত্রী সুজুকি নরিকাজুর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎকালে এই আশ্বাস দেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি জাপানি প্রতিনিধিদের সামনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। পাশাপাশি জাপানের অর্থায়নে দেশে চলমান মেগা প্রজেক্ট—মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, মেট্রোরেল এবং শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ প্রকল্পগুলোতে পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে কৃষি, ইলেকট্রনিকস ও অটোমোবাইল খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে জাপানে দক্ষ জনশক্তি, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতে পাঠানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। জাপানি প্রতিনিধি দল এসকল প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
বৈঠকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আমিন উর রশীদ এবং খলিলুর রহমানসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন