প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার সমুন্নত রাখা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বিশ্বাস করেন, শ্রমিকের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেশ ও বিদেশের সব শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই শিল্প, কৃষি ও অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে।
১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেটের শ্রমিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার হলো শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের দুটি হাত রাষ্ট্র ও সমাজের সমৃদ্ধির চাবিকাঠি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা স্মরণ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৯টি কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করেছে এবং আইএলও-র সাথে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রদানেও সরকার সচেষ্ট।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী মহান মে দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার সমুন্নত রাখা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বিশ্বাস করেন, শ্রমিকের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেশ ও বিদেশের সব শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁদের নিরলস পরিশ্রমেই শিল্প, কৃষি ও অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে।
১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেটের শ্রমিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার হলো শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের দুটি হাত রাষ্ট্র ও সমাজের সমৃদ্ধির চাবিকাঠি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা স্মরণ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৯টি কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করেছে এবং আইএলও-র সাথে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রদানেও সরকার সচেষ্ট।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী মহান মে দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন