আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরুতে পাকিস্তান ধীরস্থিরভাবে এগোলেও নাহিদ রানা দৃশ্যপটে আসতেই বদলে যায় সব হিসেব। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে ৫ উইকেটে মাত্র ৬৯ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, পতন হওয়া ৫টি উইকেটের সবকটিই নিয়েছেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট শিকার করে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং প্রদর্শন করলেন তিনি। যেখানে তার আগের ৫ ম্যাচে ছিল মাত্র ৫ উইকেট, সেখানে আজ এক ম্যাচেই নিলেন ৫টি।
গতকাল শাহিন শাহ আফ্রিদি তিনজনের অভিষেকের কথা বললেও আজ পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হয়েছে চার ক্রিকেটারের—সাহিবজাদা ফারহান, শামাইল হুসাইন, মাজ সাদাকাত ও আব্দুল সামাদ। উদ্বোধনী জুটিতে ফারহান ও সাদাকাত ৬০ বলে ৪১ রান তুলে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। কিন্তু দশম ওভারের শেষ বলে ফারহানকে (২৭) পয়েন্টে আফিফের ক্যাচ বানিয়ে ধসের সূচনা করেন রানা। এরপর একে একে সাজঘরের পথ ধরেন বাকি চার ব্যাটার।
ইনিংসের ১১তম ওভারে মিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে ২ রানে জীবন পেয়েছিলেন শামাইল হুসাইন। লং অফ ও লং অন থেকে তানজিদ তামিম ও তাওহীদ হৃদয় বলের নিচে পৌঁছালেও কেউ ক্যাচটি নিতে পারেননি। তবে জীবন পেয়েও লাভ হয়নি তার, ৪ রান করেই বিদায় নিতে হয়েছে রানার তোপে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরুতে পাকিস্তান ধীরস্থিরভাবে এগোলেও নাহিদ রানা দৃশ্যপটে আসতেই বদলে যায় সব হিসেব। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৭.৫ ওভারে ৫ উইকেটে মাত্র ৬৯ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, পতন হওয়া ৫টি উইকেটের সবকটিই নিয়েছেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট শিকার করে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং প্রদর্শন করলেন তিনি। যেখানে তার আগের ৫ ম্যাচে ছিল মাত্র ৫ উইকেট, সেখানে আজ এক ম্যাচেই নিলেন ৫টি।
গতকাল শাহিন শাহ আফ্রিদি তিনজনের অভিষেকের কথা বললেও আজ পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হয়েছে চার ক্রিকেটারের—সাহিবজাদা ফারহান, শামাইল হুসাইন, মাজ সাদাকাত ও আব্দুল সামাদ। উদ্বোধনী জুটিতে ফারহান ও সাদাকাত ৬০ বলে ৪১ রান তুলে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। কিন্তু দশম ওভারের শেষ বলে ফারহানকে (২৭) পয়েন্টে আফিফের ক্যাচ বানিয়ে ধসের সূচনা করেন রানা। এরপর একে একে সাজঘরের পথ ধরেন বাকি চার ব্যাটার।
ইনিংসের ১১তম ওভারে মিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে ২ রানে জীবন পেয়েছিলেন শামাইল হুসাইন। লং অফ ও লং অন থেকে তানজিদ তামিম ও তাওহীদ হৃদয় বলের নিচে পৌঁছালেও কেউ ক্যাচটি নিতে পারেননি। তবে জীবন পেয়েও লাভ হয়নি তার, ৪ রান করেই বিদায় নিতে হয়েছে রানার তোপে।

আপনার মতামত লিখুন