সরকারি দল বিএনপি মনে করে, সংসদীয় নিয়ম ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেবেন। আজ বুধবার দুপুরে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, "রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন।"
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আগামীকালের অধিবেশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁকে সংসদে ভাষণদান থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ দুপুরে বিরোধী দলীয় এমপিদের বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন:
"রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্টদের দোসর। সংসদে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।"
নিয়ম অনুযায়ী অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতির ভাষণের কর্মসূচি থাকলেও বিরোধী দলগুলোর এমন কঠোর অবস্থানের ফলে কালকের সংসদ অধিবেশনে এক ধরনের নাটকীয়তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি বনাম রাজনৈতিক বিরোধের এই দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত কী ঘটে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে দেশবাসী।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
সরকারি দল বিএনপি মনে করে, সংসদীয় নিয়ম ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেবেন। আজ বুধবার দুপুরে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, "রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন।"
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আগামীকালের অধিবেশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁকে সংসদে ভাষণদান থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ দুপুরে বিরোধী দলীয় এমপিদের বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন:
"রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্টদের দোসর। সংসদে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।"
নিয়ম অনুযায়ী অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতির ভাষণের কর্মসূচি থাকলেও বিরোধী দলগুলোর এমন কঠোর অবস্থানের ফলে কালকের সংসদ অধিবেশনে এক ধরনের নাটকীয়তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি বনাম রাজনৈতিক বিরোধের এই দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত কী ঘটে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে দেশবাসী।

আপনার মতামত লিখুন